সীমান্তে গ্রাম খালি করছে ভারতীয় সেনারা

ডোকালামের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভারত-চীন-ভুটান সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলিকে খালি করে দিতে বলেছে ভারতীয় সেনারা। সেনাবাহিনীর সে পরামর্শ মেনে গ্রাম খালি করে দেওয়ার প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গেছে নাথাং এলাকায়। ঠিক কী কারণে গ্রাম খালি করতে বলল সেনাবাহিনী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দেশের সশস্ত্র বাহিনীর তরফে সরাসরি এ নিয়ে কোনও বিবৃতিও দেয়া হয়নি।

যে ডোকালামে ভারত এবং চীনের সেনাবাহিনী এখন মুখোমুখি অবস্থানে, সেখান থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে নাথাং। ছোট্ট ওই গ্রামে সব মিলিয়ে শ’খানেক মানুষের বাস। সেখানে নির্দেশ গিয়েছে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গ্রাম খালি করে দিতে হবে। ইতিমধ্যে গ্রাম খালি করার কাজ শুরু হয়েছে।

সেখানকার বাসিন্দারা জানায়, সেনার নির্দেশ মেনেই নিরাপদ জায়গায় সরে যাচ্ছেন তারা। গ্রামের মধ্যে দিয়ে সেনা কনভয়ের যাতায়াত হঠাৎ করে অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে বলে তাদের দাবি। সম্প্রতি সুকনার ছাউনি থেকে যে কয়েক হাজার সেনা ডোকালামে পাঠানো হয়েছে, তাদের থাকার ব্যবস্থা করতেই কি সীমান্তবর্তী গ্রাম খালি করে দেয়া হচ্ছে? নাকি পরিস্থিতির অবনতি হলে সাধারণ নাগরিকদের যে ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে, সে কথা মাথায় রেখেই এই ব্যবস্থা? বিষয়টি এখনও পরিষ্কার নয়।

সেনাবাহিনীর তরফে অবশ্য সুকনা থেকে ডোকালামে সেনা পাঠানোর বিষয়ে অন্য ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে। তবে ভারতীয় সেনাদের দাবি, এটা একটা রুটিন প্রক্রিয়া। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসেই এটা হয়ে থাকে। এ বার একটু আগেই সেই কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে অস্বাভাবিক কিছু নেই।

গত দু’মাস ধরেই ভারত-চীন-ভুটান সীমান্তের ডোকালামে উত্তেজনা তুঙ্গে। ভারত, চীন— দু’দেশের সেনাই একে অপরের মুখোমুখি অবস্থান করছে। কূটনৈতিক পথে রফাসূত্র না মিললে যুদ্ধের আশঙ্কাও রয়েছে।