গরু না মুরগির খিচুড়ি, এই নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে গতকাল শনিবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল ইসলামী জলসার। সেই জলসায় সমাবেত হয়েছিল হাজারো মানুষ। এই হাজারো মানুষের জন্য রান্না করা হলো খিচুড়ি। আর তাতেই শুরু বিপত্তির।

কারণ তবারকের এই খিচুড়িতে ব্যবহার করা হয়েছিল মুরগির মাংস। মুরগির মাংসের খিচুড়ি রান্নার সিদ্ধান্ত ছিল এবার জলসা ও তবারক তৈরির দায়িত্বে থাকা স্থানীয় রইচ সরকার পক্ষের লোকজনের। কিন্তু তাদের প্রতিপক্ষ লতিফ সরদারের পক্ষের লোকজনের আপত্তি, কেন গরুর মাংস না দিয়ে মুরগির মাংস দিয়ে তৈরি করা হলো তবারকের খিচুড়ি। এই নিয়ে ক্ষুব্ধ তারা। জলসা শেষে দিবাগত রাত ১টার দিকে গরুর মাংস বনাম মুরগির মাংস নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।

এর জের ধরে আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে উভয়পক্ষের লোকজন বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রামচন্দ্রপুর বাজারে নিজেদের শক্তির মহড়া দিতে থাকে। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়।

এতে লতিফ সরদার পক্ষের বাতেন সরদার (৫৮), রাসেল সরদার (২৮), গাজী সরদার (৩৫), আবু সাইদ (৩৮) ও খালেক সরদার (৪০) এবং রইচ সরকার সমর্থিত পক্ষের দৌলত (২৮), নুরুন্নবী (৩০), মেরাজ (২৬) ও রইচ আহত হন। আহতদের সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

তবে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক দৌলত, গাজী ও খালেককে পাবনা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন বলে জানান সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান ইনাম। তিনি বলেন, এই ঘটনার পর কোনো পক্ষই মামলা না করলেও এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সুত্রঃ ntvbd