একটা ম্যাচ হারে চিন্তার কিছু নেই:সৌরভ

নিউজ ডেস্কঃ
গোলাপি পোশাক পরে খেলতে নামলে দেখা যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে কিছুতেই হারানো যায় না! জোহানেসবার্গে জিতে ওরা গোলাপি পোশাকে একশো শতাংশ ম্যাচ জেতার রেকর্ড যেমন অক্ষত রাখল, তেমনই ওয়ান ডে সিরিজটাকেও বাঁচিয়ে রাখল। তবে পাশাপাশি আরও একটা প্রশ্ন উঠছে। ওভার কমে যাওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার কাজটা কি সহজ হয়ে গিয়েছিল? হয়তো হয়েছিল।

তবে ওভার সংখ্যা কমে যাওয়ার চেয়েও ভারতের কাছে চ্যালেঞ্জটা কঠিন করে দিয়েছিল বৃষ্টি। বিশেষ করে স্পিনারদের কাছে। তার মানে এই নয় যে সিরিজের আগের তিনটে ম্যাচে স্পিনাররা বনবন করে বল ঘুরিয়েছে। বরং দক্ষিণ আফ্রিকার খারাপ ব্যাটিংই তিনটে ম্যাচে ভারতীয় স্পিনারদের ঝুলিতে ২১টি উইকেট তুলে দিয়েছে। শনিবারের ম্যাচে বৃষ্টির জন্য পিচে পড়ে বল একটু স্কিড করেছে। যেটা দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানদের কাজটা সহজ করে দেয়।

এ বি ডিভিলিয়ার্সের দলে ফেরাটাও দক্ষিণ আফ্রিকা টিমকে মানসিক ভাবে চাঙ্গা করে তুলেছিল। প্রত্যাবর্তনের পরে প্রথম ম্যাচেই এ বি হয়তো বড় রান পায়নি, কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার মিডল অর্ডার ব্যাটিংকে মজবুত করে তুলেছিল। তা ছাড়া স্পিনার বাদ দিয়ে সব ক’জন পেসার নিয়ে খেলার যে স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, সেটা আমার মতে নির্ভুল ছিল। তবে একটা ম্যাচ হারায় ভারতের চিন্তার কিছু হয়নি। পুরো সিরিজটায় ভারত দারুণ খেলছে। পোর্ট এলিজাবেথেই ওরা সিরিজটা জিতে নিতে পারে।

ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে বিরাট কোহালি এবং শিখর ধাওয়ান সমানে আধিপত্য দেখিয়ে চলেছে। ওরা যখন ব্যাট করে, তখন রান রেটটা সব সময় ভাল থাকে। এই দু’জনের এক জন, বিশেষ করে কোহালি যদি আগে আউট হয়ে যায়, তা হলে অন্যদের দায়িত্ব নিতে হবে ভারতের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। যে ব্যাপারটা ওয়ান্ডারার্সের শেষ ১৫ ওভারে হয়নি। মানছি, ভারতীয় স্পিনারদের দিনটা ওয়ান্ডারার্সে ভাল যায়নি। কিন্তু ডেভিড মিলার, আইডেন মার্করাম, হেনরিক ক্লাসেনদের শট বাছাই নিশ্চয়ই দেখে নিয়েছে স্পিনাররা। আর একটা ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে, পোর্ট এলিজাবেথে কিন্তু বড় স্কোর খুব একটা হয় না।