Author Archives: admin

দীপিকার মাথা কাটলে ৫ কোটি রুপি দেবেন বিজেপি নেতা!

নিউজ ডেস্কঃ
ভারতের বিখ্যাত অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের মাথা কাটলে পাঁচ কোটি পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপির এক নেতা। পদ্মাবতী চলচ্চিত্র নিয়ে বিতর্কের জেরে দীপিকাকে হত্যার এ হুমকি দেন।

এ থেকে বাদ যাননি পদ্মাবতীর পরিচালক সঞ্জয়লীলা বনশালীও। তার মাথা কাটলেও পাঁচ কোটি রুপি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ওই নেতা। হুমকিদাতা সুরজ পাল আমু হরিয়ানা রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি দীপিকা ও বনশালীর মাথা কাটবেন, তার পরিবারের সব দায়িত্ব নেবেন তিনি।

এ ছাড়া পদ্মাবতী ছবিতে মুসলিম শাসক আলাউদ্দিন খিলজির ভূমিকায় অভিনয় করা রণবীর সিংয়ের হাত-পা মেরে ভেঙে দেবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন বিজেপি নেতা সুরজ পাল আমু।

এদিকে পদ্মাবতী নিয়ে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হওয়ায় চলচ্চিত্রটির মুক্তি নিয়ে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে।

তিনি কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী স্মৃতি ইরানিকে চিঠি লিখে পদ্মাবতী রিলিজের বিষয়টি বিশেষ নজরে দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। এর মধ্যে অবশ্য পদ্মাবতীর মুক্তি পিছিয়ে গেছে।

সুত্রঃ jugantor

বিশ্বের প্রথম ভাসমান শহর!

গভীর সমুদ্রের মধ্যে ভাসছে একটি শহর। সে শহরে রয়েছে সবই। দালান-কোঠা, মাঠ, শপিংমল- কি নেই সেখানে। আশ্চর্য হলেও সত্য এমন শহরের দেখা মিলতে পারে ২০২০ সালের মধ্যেই। মার্কিন প্রতিষ্ঠান সিস্টিডিংয়ের পরিকল্পনা থেকে এমনটাই জানা যায়।

সান ফ্রান্সিস্কো ভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান সিস্টিডিং ২০০৮ সাল থেকে সমুদ্রের মধ্যে ভাসমান শহর নির্মাণের পরিকল্পনা করে আসছে। এবার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ শুরু হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তিও সম্পন্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশ্বের প্রথম ভাসমান শহর (নকশা)

ভাসমান শহরে মানুষের বসবাসের জন্য নির্মাণ করা হবে ঘর-বাড়ি। পর্যটকদের জন্য থাকবে দৃষ্টিনন্দন হোটেল। এছাড়াও থাকছে অফিস-আদালত, হাসপাতাল, রেস্টুরেন্টসহ নানাবিধ সুবিধা। আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন রকম সুযোগ-সুবিধা থাকছে এতে। নির্মাণ কাজ শুরুর আগে আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছেন এর প্রকৌশলীরা।

সিস্টিডের প্রেসিডেন্ট জো কার্ক বলেন, সমুদ্রের উপর ভাসমান শহরটি নির্মাণের পর তা রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করা যেতে পারে। এটি হতে যাচ্ছে রাজনীতিবিদদের কলুষিত হাত থেকে মুক্ত মানবতার তীর্থস্থান। নানারকম সংস্কৃতির সমাহার ঘটবে এ শহরে।

বিশ্বের প্রথম ভাসমান শহর (পরিকল্পনা আনুযায়ী নকশা)পরিকল্পনা আনুযায়ী শহরটি নির্মাণে খরচ পড়বে ১৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১ ডলার=৮২ টাকা)। পে পালের প্রতিষ্ঠাতা পিটার থিয়েল ইতোমধ্যেই প্রাথমিক অর্থায়নের কাজ সম্পন্ন করেছেন। ‘ইনিশিয়াল কয়েন অফারিং’-এর মাধ্যমে বাদবাকি অর্থ সংগ্রহ করা হবে।

সুত্রঃ banglanews24

চলচ্চিত্র ধ্বংস হয়েছে শাবানার কারণে!

১৯৯৭ সালে ‘মেয়েরাও মানুষ’ মুক্তির পর থেকেই লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যান কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা। বর্তমানে নিউ জার্সিতে বসবাস করছেন। ১৯৯৭ সালে শাবানা দীর্ঘ ৩৪ বছরের কর্মজীবন শেষে চলচ্চিত্রাঙ্গন থেকে বিদায় নেন। এরপর তিনি আর নতুন কোনো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেননি।

এদিকে তার অনুপস্থিতে চলচ্চিত্র জগত হয়েছে অবিভাবক শূন্য। এমনটাই মনে করেন প্রবীণ অভিনেতা সিরাজ হায়দার। গত দুই দশকে প্রায় ৫০০ ছবিতে তাকে দেখা গেছে। ছোট বড়, কৌতুক, সিরিয়াস প্রায় সকল চরিত্রেই নিজেকে সেরা প্রমাণ করেছেন এই অভিনেতা।

এবার বর্তমান চলচ্চিত্রের অবস্থা বলতে গিয়ে আবেগের সাথে বলেন, ‘শাবানা মেডাম বাংলা চলচ্চিত্রটাকে ধ্বংস করেছে! তার সময়ে পারিবারিক গল্পের সিনেমা দিয়ে দর্শক মাত করে রাখতেন। সিনেমা দেখে দর্শক হলে বসেই কাঁদতো-হাসতো আনন্দ করতো। শাবানার অভিনীত সিনেমা মানেই মা-বোনেরা দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়তো।

পরিবারে ঘটে যাওয়া পরিচিত গল্পের সিনেমা হত, মানুষ সিনেমার চরিত্রগুলো নিজেদের সঙ্গে মেলাতেন। যখন দেখতো সিনেমার গল্প জীবনের সঙ্গে মিলে গেছে তখন দর্শক শান্তি পেতো। মুগ্ধ হত। এমন ভালো গল্পের সিনেমা দেখে আবার অপেক্ষায় থাকতো শাবানার সিনেমা কখন আসবে।

শাবানা চলচ্চিত্র ছেড়ে আমেরিকায় চলে গেল আর বাংলা চলচ্চিত্রটাকে ধ্বংস করে গেল। তিনি নেই বলে আজ পারিবারিক সুন্দর সুন্দর গল্পের ছবি নির্মিত হচ্ছে না। মানুষ এখন আর আগের মতো ছবি দেখে হাসতে-কাঁদতে পারে না। ছবির সঙ্গে তাদের জীবনের মিল খুঁজে পায় না। তাই এখন আর পারিবারিক ভাবে দর্শক ছবি দেখতেও আসে না।

দর্শক হলে আনতে হলে পারিবারিক গল্পের ছবি চাই। বাস্তবতার নিরিখে সে ছবি নির্মিত হতে হবে। হলে নারী টানতে হবে। তবেই আবার আমাদের সিনেমা দেখতে হলমুখি হবে।’

সুত্রঃ http://www.breakingnews.com.bd/bangla/entertainment/43900.online

আলোচনার পথ খোলা রাখাই ভালো

আমরা যেহেতু রাজনীতি করি, তাই আলোচনার পথ খোলা রাখাই ভালো। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে এমন কথাই বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে ফেরার পথে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে অপেক্ষা করছিলেন ওবায়দুল কাদের। পাশের আরেকটি কক্ষে মির্জা ফখরুল আছেন জেনে তার সঙ্গে দেখা করতে যান কাদের। পরে সাক্ষাতের এক পর্যায়ে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

একাধিক রাজনৈতিক নেতা এ তথ্য জানিয়েছেন। রাজনৈতিক নেতারা জানান, ওবায়দুল কাদের ও মির্জা ফখরুল ইসলামের দেখা হয়েছে। কুশল বিনিময় হয়েছে।

জানা গেছে, রোববার কাদের ও ফখরুলের ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) বিমানবন্দর থেকে একটি বেসরকারি উড়োজাহাজ কোম্পানির ফ্লাইটে সৈয়দপুর যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মির্জা ফখরুল সফর স্থগিত করেন। ফলে একই ফ্লাইটে দুই বড় দলের দুই নেতার সাক্ষাতের সুযোগটি আর হয়ে উঠল না।পরে দুপুরে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে ফেরার পথে ওবায়দুল কাদের ও ফখরুলের সঙ্গে কুশল বিনিময় হয়।

কুশল বিনিময়ের সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ঢাকা এয়ারপোর্টে আপনার জন্য অপেক্ষা করেছিলাম। আপনার সফর স্থগিত হওয়ায় আমাকে চলে আসতে হয়েছে।যেহেতু রাজনীতি করি, আলাপ–আলোচনার পথ খোলা রাখা ভালো।’

এ সময় মির্জা ফখরুলকে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি সকালের ফ্লাইটেই আসতাম। কিন্তু পারিবারিক কারণে তা হয়ে ওঠেনি।

দুই নেতার কুশল বিনিময়ের সময় ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, ত্রাণবিষয়ক সম্পাদক সুজিত নন্দী, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, উপদফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সুত্রঃ jugantor

কলকাতার বিভিন্ন সড়কে জিয়াউর রহমানের ছবি

নিউজ ডেস্কঃ
ব্রিটিশ ভারতে সবচেয়ে অভিজাত ও জগত্খ্যাত বিদ্যাপীঠ হেয়ার স্কুল তাদের প্রতিষ্ঠার দুইশত বার্ষিকী উদযাপনের প্রাক্কালে স্কুলের বিখ্যাত প্রাক্তন ছাত্রদের আলোকচিত্রের ফেস্টুন, ব্যানারে সাজিয়ে তুলেছে মহানগরী কলকাতাকে। সেখানে মিত্র, স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু, আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, রমেশ চন্দ্র দত্ত, রামতনু লাহিড়ীসহ মহাকীর্তিমানদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট মরহুম জিয়াউর রহমানের ছবি।

তার আলোকচিত্র এখন শোভা পাচ্ছে কলেজ স্ট্রিট, বিদ্যাসাগর স্ট্রিট, বউবাজার, পিয়ারী সরকার স্ট্রিট, প্রেসিডেন্সি কলেজ স্কয়ার, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক মোহনায়। মূলত স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন ‘হেয়ার স্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন’ তাদের স্কুলের স্বনামধন্য প্রাক্তন ছাত্রদের নিয়ে নানা আয়োজন রেখেছে।

খোলা হয়েছে-(http://www.hareschoolalumni.com/alumni.php) নামের একটি ওয়েব পেজ। সেই ওয়েব পেজে বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুর পাশে রাখা হয়েছে জিয়াউর রহমানকে। একই সঙ্গে হেয়ার স্কুলের উইকিপিডিয়াতে জিয়াউর রহমানসহ প্রখ্যাত প্রাক্তন ১৬ জন ছাত্রের নাম ও তাদের অবদান উল্লেখ করা হয়েছে।

জানা যায়, স্কটিশ ঘড়ি ব্যবসায়ী ডেভিড হেয়ার ১৮১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তার নামে হেয়ার স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়া জেলার বাগবাড়ীতে জিয়াউর রহমানের জন্ম। জিয়াউর রহমানের পিতা মনসুর রহমান কলকাতার এক সরকারি দফতরে রসায়নবিদ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। জিয়াউর রহমান শৈশবে কিছুকাল বগুড়ার গ্রামাঞ্চলে এবং কিছুকাল কলকাতায় অতিবাহিত করেন। জিয়াউর রহমানের স্কুলজীবন শুরু হয় কলকাতায় ‘হেয়ার স্কুলে’।

১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর তার পিতা করাচিতে বদলি হলে জিয়াউর রহমান কলকাতার হেয়ার স্কুল ছেড়ে করাচির একাডেমি স্কুলে ভর্তি হন। ১৯৫২ সালে তিনি দ্বিতীয় বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন করাচিতে ‘করাচি একাডেমি স্কুল’ (বর্তমানে তাইয়েব আলী আলভী একাডেমি) থেকে। ম্যাট্রিক পাসের পর তিনি ভর্তি হন করাচির ‘ডি জে কলেজে’। ১৯৫৩ সালে ‘পাকিস্তান সামরিক একাডেমিতে একজন অফিসার ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেন। প্রসঙ্গত, জিয়াউর রহমানের নামে অনেক আগেই তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা শহরের প্রাণকেন্দ্রে ১.৮ কিমি দীর্ঘ একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে। ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরেও জিয়াউর রহমানের নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে।

সুত্রঃ bd-pratidin

সানি লিওনকে হত্যার হুমকি!

বিনোদন দুনিয়ায় তার মতো আর কজনই আছেন। যার ভক্তের সংখ্যা অগণিত। তারচেয়েও মজার ব্যাপার সানি তার বেশিরভাগ ভক্তই পুরুষ। বুঝতেই পারছেন- বলিউড অভিনেত্রী সাবেক পর্ন সুন্দরী সানি লিওন শরীরী ছন্দে পুরুষকে কতটা দোলাতে সক্ষম।

তবে এই হট কুইনকে নাকি হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। যে কোনও দিন নাকি তিনি খুন হতে পারেন। সানি নিজেই এ খবর জানিয়েছেন।

ভারতীয় এক টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারে সানি জানিয়েছেন, ‘আপনি দেখলে অবাক হবেন, গত দুই দিনে অসংখ্যবার খুনের হুমকি দিয়ে তার মুঠোফোনে বার্তা পাঠানো হয়েছে।’

গত ৬ বছর ধরেই এ রকম একাধিক খুনের হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন তিনি। কিন্তু তাতে ভয় না পেয়ে পুলিশকে জানিয়েছেন। তাতেও অবশ্য থামেনি হুমকি। উল্টে বেড়েছে ক্ষুদেবার্তার পরিমাণ। তাই আর পুলিশকে না জানিয়ে নিজেই সেগুলোর মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সানি।

সে কারণে এখন আর এসব হুমকি ভরা ক্ষুদেবার্তা তার জীবনে কোনও প্রভাব ফেলে না। উল্টো খোশ মেজাজে নিজের কাজ করেন বলে জানান এই অভিনেত্রী।

সুত্রঃ http://www.breakingnews.com.bd/bangla/entertainment/43733.online

রাজধানীতে ৯ দিন ৮ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ থাকবে না

নিউজ ডেস্কঃ
উপকেন্দ্রের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও ৯ দিন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এসব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো) গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়। ইতোমধ্যেই দু’দিন পার হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এ সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে নগরবাসীকে।

১৯ নভেম্বর, রোববার : মিরপুর-১ এলাকা, আনসার ক্যাম্প, টোলারবাগ, শহীদ বুদ্ধিজীবী মাজার, ১০ নম্বর কমিউনিটি সেন্টার, এভিনিউ-৩, ব্লক-ই, ওয়াসা পাম্প, বেড়িবাঁধ এলাকা, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, বিশিল, তুরাগ সিটি, সেকশন ১/এ, ১/ডি মিরপুর সেকশন-২ এলাকা, রূপনগর শিল্প এলাকা, কলওয়ালাপাড়া, জনতা হাউজিং, পশ্চিম মনিপুর এবং আশপাশের এলাকা, সেক্টর-১ (রোড-১১), জসীম উদ্দিন মোড় হতে রাজলক্ষ্মী পর্যন্ত ঢাকা ময়মনসিংহ রোডের পশ্চিমাংশ, সেক্টর-৩ (রোড-২, ১, ৩) সেক্টর-৭ (১, ৪, ৫, ৭, ৮, ৯, ৯/এ, ২৮), রবীন্দ্র সরণি এবং আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

২১ নভেম্বর, মঙ্গলবার : কুড়িল, বিশ্বরোড, প্রগতি সরণি পশ্চিম অংশ, মোল্লাপাড়া, বড়বাড়ি, হোটেল রেডিসন, বারিধারা (রোড নং ১ থেকে ৬, ৯ থেকে ১৪), পার্ক রোড, লেক রোড, দূতাবাস রোড, বারিধারা ডিওএইচএস ইস্টার্ন রোড, মানিকদী, বারনটেক, বালুঘাট, শেওড়া, যমজ রোড, অলিপাড়া, লিচুবাগান, শেওড়াবাজার এবং আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না।

২২ নভেম্বর, বুধবার : নিকেতন আবাসিক এলাকা (রোড ৪ থেকে ১৪ পর্যন্ত এবং ব্লক-বি, ডি, ই ও এফ), গুলশান-১ (রোড-৭, ৮, ১২, ১৪ এবং আশপাশের এলাকা, উত্তরা সেক্টর-১৩ (রোড ৪, ১১ হতে ১৮ পর্যন্ত), সেক্টর-১৪ (রোড ১৬ হতে ২২ পর্যন্ত), গরিবে নেওয়াজ এভিনিউয়ের উত্তর পাশ, শাহ মখদুম এভিনিউ, উত্তরা খালপাড় এলাকা, চণ্ডাল ভোগ, দিয়াবাড়ি গোল চক্কর থেকে উত্তরা থার্ড ফেজ ১৮ নম্বর সেক্টর পর্যন্ত, নয়ানগর এলাকা, রাজাবাড়ি, নলভোগ, ফুলবাড়িয়া এলাকা, রানাভোলা, তিতাস পাড়া, পাকুরিয়া যাত্রাবাড়ী ও হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা এবং আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

২৫ নভেম্বর, শনিবার : মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, রোড-১, ৩, ৮, ৯, এভি-৪, রোড-১৮, সেকশন-১১ এ, প্যারিস রোড। এ ছাড়া, রোড-২৮, ২৭, ৩১, ২৬, ৩২, ৩, ২৯, ১৭, ১৫; ব্লক-ডি, সেকশন-১০, এভি-৫, ব্লক-সি, বিহারি ক্যাম্প, ওয়াপদা ক্যাম্প, ওয়াসা রোড, রোড-৩, ৫, ৬, ৯, ৮, ৭, ১০, ঝুটপট্টি, বাউনিয়া বাঁধ এলাকা, রাড্ডা হাসপাতাল, পূর্ব মনিপুর, বিআরটিএ অফিস, আমতলা বাজার, পূর্ব বাইশটেকি, পলাশনগর, লালমাটিয়া এবং আশপাশের এলাকায় ওই দিন বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে।

২৬ নভেম্বর, রোববার : ইজতেমা মাঠ, আহছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতাল, বেড়িবাঁধের দক্ষিণ পাশের এলাকা থেকে শুরু করে ধৌড়ের মোড় পর্যন্ত, মেসার্স জরিনা কম্পোজিট ও অলিম্পিয়া টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ লি. মেসার্স নিশাত জুট মিলস, ইজতেমা মাঠ, কামারপাড়া, মুন্নু নগর, ১০ নম্বর সেক্টর (১০, ২৫ ও ২৩ নম্বর রোড), রানাভোলা, আশুলিয়া রোড, বিআইডব্লিউটিসি ল্যান্ডিং স্টেশন ও ধউর সরকার বাড়ি রোড এবং আশপাশের এলাকায় সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে না।

২৭ নভেম্বর, সোমবার : কল্যাণপুর মেইন রোড (রোড-১, ২, ৪), মিজান টাওয়ার, একমি, ইবনে সিনা, শ্যামলী রোড-৪, গাবতলী, মাজার রোড, টোলারবাগ, ডেল্টা হাসপাতাল, আহমেদ নগর, পাইকপাড়া, পীরেরবাগ, কল্যাণপুর এলাকা, স্বাধীনতা সরণি, শহীদ মিনার রোড, নাভানা গার্ডেন, বাংলাদেশ বেতার ও বেতার কলোনি, গণমাধ্যম ইন্সটিটিউট এবং পাশের এলাকা, সাতাইশ, ব্যাংক পাড়া, খরতৈল, চেরাগআলী, সিরামিক মার্কেট, দত্তপাড়া, পূর্ব কাজীপাড়া, বাইগারটেক, চানকিরটেক, চেয়ারম্যান বাড়ি, বনমালা, দেওড়া, বড় দেওড়া, খলিল মার্কেট, মুদাফা, মীর বাড়ি, ভাদাম, আউচপাড়া, মধ্য আউচপাড়া, সফিউদ্দীন একাডেমি, মোক্তার বাড়ি, মিত্তিবাড়ি এবং আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে।

২৮ নভেম্বর, মঙ্গলবার : নিকুঞ্জ-২ আবাসিক এলাকা (রোড ১-৫, ৯-১১, ১৬, ১৯), রাজউক ট্রেড সেন্টার. বিআরইবি ভবন, ফারুক সরণি, খিলক্ষেত বাজার, বটতলা, মধ্যপাড়া, কুর্মিটোলা হাইস্কুল এলাকা, বালুরমাঠ, খিলক্ষেত বেপারী পাড়া, খাঁ পাড়া, পোস্ট অফিস রোড এবং আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে।

২৯ নভেম্বর, বুধবার: উত্তরা সেক্টর-৪ (রোড ১৩, ১৬ হতে ২১ পর্যন্ত), সেক্টর-৬ (রোড ৭ হতে ১৬), ঈসা খাঁন এভিনিউ, শাহজালাল এভিনিউ, আজমপুর থেকে আবদুল্লাহপুর ঢাকা ময়মনসিংহ রোডের পূর্বপাশ, সেক্টর-৮, রাজলক্ষ্মী হতে আবদুল্লাহপুর পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের পশ্চিম পাশ, সেক্টর-৯, আবদুল্লাহপুর, কসাইবাড়ী, উদয়ন স্কুল রোড, মোল্লার টেক, নবীন সংঘ রোড, প্রেমবাগান মোড় এবং পাশের এলাকায়।

৩০ নভেম্বর, বৃস্পতিবার : বনানী রোড-৬ (ব্লক-বি, সি) ও রোড-১৩ (ব্লক-ডি), গুলশান রোড ৭১, রোড ৭৫ থেকে ৮২, বনানী বাসস্ট্যান্ড, বনানী বাজার, বনানী রোড-৪, ৫, ১১, ১৪ ব্লক-এ এবং বি এবং আশপাশের এলাকা, নতুন বাজার, ফাঁসের টেক, ভাটারা মোড়, ওয়াজউদ্দীন রোড, নুরের চালা, জে-ব্লক, সমতা সড়ক, ইসলামিয়া স্কুল রোড, শাহজাদপুর কবর স্থান, বরইতলা, বৌবাজার, খিলবাড়ির টেক, বাঁশতলা, সুবাস্তু নজরভ্যালি, থাই দূতাবাস, কোরিয়া দূতাবাস, ইউএন রোড, বারিধারা-২ নম্বর পানির পাম্প, মরিয়ম টাওয়ার-১, বারিধারা রোড নম্বর-২, পার্ক রোড, সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ, দূতাবাস রোড, লেক রোড এবং বারিধারা (রোড নম্বর-১, ৩, ৪, ৫), নর্দ্দা সরকার বাড়ি রোড, নর্দ্দা বাজার, কালাচাঁদপুর, পাকা মসজিদ, উত্তর বাড্ডা, প্রগতি সরণির পূর্ব পাশ, আদর্শনগর রোড, বড়টেক পাড়া, মিশ্রি টোলা, পুরাতন থানা রোড, হাসানউদ্দীন রোড, জার্মান দূতাবাস ও ফ্রান্স দূতাবাস এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না।

সুত্রঃ jugantor

সেনাবাহিনীকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় না রাখার ষড়যন্ত্র হচ্ছে

আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন করতে ক্ষমতাসীনেরা সেনাবাহিনীকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার বাইরে রাখার ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতারা। তাঁরা বলেন, নির্দলীয় সরকারের অধীনে ভোটের শর্ত পূরণ না হলে বিএনপি জাতীয় নির্বাচনে যাবে না।

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে পৃথক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেন।

মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির আলোচনা সভায় মওদুদ আহমদ বলেন, ‘সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আমরা অংশ গ্রহণ করব। তার মানে এই নয় যে জাতীয় নির্বাচনেও আমাদের একই শর্তে অংশগ্রহণ করতে হবে। ভবিষ্যতে একদলীয় নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না।’ তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের ৯০ দিন আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। সংসদ রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না।

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আরেক আলোচনা সভায় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যদি সেনাবাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা না হয়, তাহলে সুস্থ মস্তিষ্কে সেই নির্বাচনের দিকে যাওয়াটা বিপজ্জনক হবে। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে নির্বাচনী দায়িত্বে মোতায়েন করতে হবে। এর বাইরে কোনো ধরনের নির্বাচন প্রক্রিয়া এ দেশের মানুষ গ্রহণ করবে না।

সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার দুটি দিক আছে। একটি হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার ক্ষমতা, অন্যটি বিচার করার ক্ষমতা। আমরা বিচার করার ক্ষমতার কথা বলছি না, আমরা ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাটা দিতে বলছি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য।’

দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আরেক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমান দূরে বসেও তাঁর রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করছেন।

বাংলাদেশ ছাত্র ফোরাম ও উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরাম এ আলোচনার আয়োজন করে।

রংপুরে বিএনপির প্রার্থী কে, পাঁচ নাম কেন্দ্রে

আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ চারটি রাজনৈতিক দল রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী মনোনয়ন দিলেও এখনো প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারেনি বিএনপি। প্রচারণায় থাকা পাঁচজন মনোনয়নপ্রত্যাশীর মধ্যে কে হবেন ধানের শীষ প্রতীকধারী তা স্পষ্ট করে বলতে পারছেন না দলটির স্থানীয় নেতারা।

তবে মনোনয়নপ্রত্যাশী পাঁচজনের নাম বুধবার রাতে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে বলে নেতারা জানিয়েছেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, একক প্রার্থী ঠিক করতে মঙ্গলবার রাতে নগরের গ্র্যান্ড হোটেল মোড়ের দলীয় কার্যালয়ে জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতারা বৈঠক করেন। বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনার পরও একক প্রার্থী নির্ধারণ করা সম্ভব না হওয়ায় পাঁচ নেতার নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়। তারা হলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রইচ আহমেদ, মহানগর বিএনপির সহসভাপতি কাওসার জামান বাবলা, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম মিজু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম ও জেলা যুবদল সভাপতি নাজমুল আলম নাজু। মহানগর বিএনপির সভাপতি মোজাফফর হোসেন বলেন, বৈঠকে একক প্রার্থী নির্ধারণ করা সম্ভর না হওয়ায় পাঁচজনের নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্র যাকে মনোনয়ন দেবে নেতা-কর্মীরা তার পক্ষেই কাজ করবেন। একই কথা বলেন মনোনয়নপ্রত্যাশী শহীদুল ইসলাম মিজু। ১১ সদস্যের কমিটি : নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি, সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি এবং নির্বাচনকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করতে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহমেদকে প্রধান করে ১১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। রিটার্নিং ও রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে গঠন করা এ কমিটিতে পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি, বিজিবির সেক্টর কমান্ডার, রংপুরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা রয়েছেন। মেয়র পদে আরও দুজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান মেয়র সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম আবদুর রউফ মানিক। এ নিয়ে মেয়র পদে ১২ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন।

সুত্রঃ bd-pratidin

রাশিয়া বিশ্বকাপে যে ৩২ দল

২০১৮ সালে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের ২১তম আসর বসতে যাচ্ছে রাশিয়ায়। আয়োজক দেশ হিসেবে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি প্রায় শেষ করেছে দেশটি। আগামী বছরের ১৪ জুন পর্দা উঠবে ফুটবলের সবচেয়ে বড় এ আসরের।

বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে এক বছর আগে থেকে গোটা দুনিয়ায় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়ে গেছে। তবে সবচেয়ে বেশি উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে নতুন করে কিংবা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়া দেশগুলোর মধ্যে।

অন্যান্য আসরের মতো এবারও বিশ্বের ৩২টি দল নিজ নিজ অঞ্চলে বাছাই পর্ব উতরে মূল মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে। মেসি, নেইমার কিংবা রোনালদোদের মতো ফুটবলাররা বিশ্বকাপের মঞ্চে বাড়তি আলো ছড়ালেও উত্তেজনার রসদ জোগালেও অখ্যাত দল কিংবা তারকাও এই আসরের মধ্য দিয়ে উঠে আসে বরাবরই।

অন্যদিকে বড় দলগুলোর মধ্যেও প্রতিবারই দু-একটি দল হোঁচট খায়। ঠিক এবার যেমন নেদারল্যান্ড, চিলি ও ইতালির মতো ফুটবল পরাশক্তির দলগুলো বাছাই পর্বেই আটকে গেছে। ভেঙে গেছে তাদের বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন।

এবারের বিশ্বকাপে ৫টি অঞ্চল থেকে যে ৩২টি দল বাছাই পর্বে পেরিয়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে তাদের তালিকা নিয়ে দেয়া হলো:

এশিয়া (এএফসি) থেকে ৫টি: অস্ট্রেলিয়া, ইরান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সৌদি আরব।

ইউরোপ (উয়েফা) থেকে ১৪টি: বেলজিয়াম, ক্রোয়েশিয়া, ডেনমার্ক, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আইসল্যান্ড, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রাশিয়া (স্বাগতিক), সার্বিয়া, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও স্পেন।

আফ্রিকা (সিএএফ) থেকে ৫টি: মিসর, মরক্কো, সেনেগাল, তিউনিসিয়া ও নাইজেরিয়া।

কনকাকাফ (উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান) থেকে ৩টি: কোস্টারিকা, মেক্সিকো ও পানামা।

দক্ষিণ আমেরিকা (কনমেবল) থেকে ৫টি: ব্রাজিল, উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা, পেরু ও কলম্বিয়া।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১৪ জুন বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতার পর্দা উঠবে। ১১টি শহরের ১২টি স্টেডিয়ামে সর্বমোট ৬৪টি খেলা সম্পন্ন হবে। ১৫ জুলাই মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে শিরোপা জয়ের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

সুত্রঃ http://www.breakingnews.com.bd/bangla/sports/43472.online

1 2 3 50