বাংলাদেশ

গৃহকর্মী থেকে মাইক্রোসফটের অ্যাম্বাসেডর কুড়িগ্রামের ফাতেমা

নিউজ ডেস্কঃ অভাব অনটনের সংসার ছিল ফাতেমার। মাত্র ৯ বছর বয়সে তাই তাকে পাঠিয়ে দেয়া হয় মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে। সেখানে সামান্য বেতনে কাজ করতে হতো তাকে। প্রায় দু’বছর পর কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার এই কিশোরীর বয়স যখন ১১ বছর হলো তখন হঠাৎ একদিন তারা বাবা-মা তাকে বাড়িতে ডেকে পাঠাল। আর তাকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল অন্য কারণে নয়, আসলে তার বিয়ে দেয়ার জন্য। ১১ বছর বয়সী ফাতেমার বিয়ে ঠিক হয়েছিল ২৫বছর বসয়ী এক যুবকের সঙ্গে। সম্প্রতি মাইক্রোসফট তাদের ওয়েবসাইটে ফাতেমাকে নিয়ে একটি লেখা প্রকাশ করেছে। ফাতেমা মাইক্রোসফটকে বলেছে, আমার সব আনন্দ মাটি হয়ে গেল যখন আমি বুঝলাম আমাকে আসলে বিয়ের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে। বিয়ের সব আয়োজন চূড়ান্ত। তবে ঠিক আগ মুহূর্তে সেখানে গিয়ে হাজির হয় স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা। বাল্য বিয়ের ছোবল থেকে তারা ফাতেমাকে রক্ষা করে। বাল্য বিয়ের হাত থেকে যে সংস্থাটি ফাতেমাকে বাঁচিয়েছিল সেটির নাম হলো- আশার আলো পাঠশালা। বিয়ে বন্ধ হওয়ার পর ফাতেমার শিক্ষার দায়িত্বও নেয় তারা। তবে তারপরও ফাতেমার বাড়ি থেকে বিয়ের জন্য চাপ ছিল। ফাতেমাও ছিল দৃঢ় প্রতিজ্ঞ- বিয়ে সে করবে না। এরপর ফাতেমা চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হয়। পিএসসি ও জেএসসিতে জিপিএ-৫ পায় সে। এখনও সে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং দারিদ্র্য ও বাল্য বিয়ের কবল থেকে তার মতো অন্য মেয়েদের বাঁচাতে কাজ করছে সে। ফাতেমার এই পথে তার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী অস্ত্র ছিল তার কম্পিটার শিক্ষা। যার শুরুতে ছিল ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট। এখন অন্য যেসব কিশোরী বাল্যবিয়ের ঝুঁকিতে আছে ফাতেমা তাদের ডিজিটাল দক্ষতার উপর প্রশিক্ষণ দেয়। মাইক্রোসফট তাকে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরও বানিয়েছে। সুত্রঃ jagonews24

রোগীদের কখনো ভুলে যান না এই চিকিৎসক

নিউজ ডেস্কঃ রোগীকে চিকিৎসা দিয়ে বিদায় করলেই দায়িত্ব শেষ চিকিৎসকের। এরপর নতুন রোগী আসবে, তারপর ব্যবস্থাপত্র দিয়ে বিদায় দেয়া হবে এটাই বাংলাদেশের বাস্তবতা। কিন্তু আপনি কয়েকবছর আগে চিকিৎসা নিয়ে গেছেন একজন চিকিৎসকের কাছ থেকে, সুস্থও আছেন। তারপরও সেই চিকিৎসকের দপ্তর থেকে আপনাকে কোনো আয়োজনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হলো, তখন নিশ্চয়ই চমকে উঠবেন। দিনভর রোগিদের সঙ্গে সময় কাটাবেন সেই চিকিৎসক। আপনার রোগের সম্পর্কে খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে হাতে ধরে চিকিৎসক দেখাবেন শারীরিক কসরতের মাধ্যমে কিভাবে সুস্থ থাকতে পারবেন। চিকিৎসক আর রোগীর মধ্যে সম্পর্ক বাড়াতে তিন বছর ধরে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন করে আসছেন ডা. মো. নজরুল ইসলাম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিউমেটোলজি বিভাগের এই অধ্যাপক সহসাই বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। তিন বছর ধরে ‘রোগী শিক্ষা অধিবেশন’ শিরোনামে বছরের একটি দিন আনন্দঘন পরিবেশে রোগীদের সঙ্গে কাটান নজরুল ইসলাম। এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার দিনব্যাপী এই আয়োজন করা হয় রাজধানীর অদুরে সোনাগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টে। যেখানে বিভিন্ন ধরণের বাত রোগে আক্রান্ত বর্তমান ও সাবেক রোগীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। শুধু তাই নয়, ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে এই চিকিৎসকের চেম্বারে প্রতিনিয়িত চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের যাবতীয় ডাটাবেজ সংরক্ষণ করে রাখা হয়। বাত রোগে আক্রান্তদের সার্বিক সহযোগিতা দেয়ার জন্য গঠন করা হয়েছে একটি ফাউন্ডেশন। গরিব ও অসহায় রোগীদের এই চিকিৎসা চালাতে সহযোগিতা করার লক্ষে এই ফাউন্ডেশন করা হয়। শুক্রবারের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসা নেয়া রোগীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। সবাই ব্যতিক্রমী এই আয়োজনের প্রশংসা করেন। সাধারণত বাত ব্যথায় আক্রান্ত মানুষকে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিতে হয়। তাই সচেতনতার পাশাপাশি সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিলে সুস্থ থাকা যায় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। অন্যদিকে চিকিৎসক তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগঝড়া কণ্ঠে বলেছেন, এমন আয়োজন করতে পেরে তিনি গর্ববোধ করছেন। চিকিৎসক আর রোগীর মধ্যে সম্পর্ক বাড়াতে এমন আয়োজন বেশি বেশি প্রয়োজন। এতে করে রোগীদের উপকৃত হওয়ার সুযোগ বাড়ে। অন্যদিকে চিকিৎসকদের সম্পর্কে রোগীদের ভুল ধারণার অবসান ঘটবে। নির্ধারিত সময়ে ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের সামনে থেকে রোগী ও তাদের স্বজনদের নিয়ে সোনারগাঁওয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু হয়। বেলা ১১টার দিকে রিসোর্টে গিয়ে পৌঁছার পর ফ্রেশ হয়ে সবাইকে বাত রোগ সম্পর্কে সম্যক ধারণা দিতে ছিল প্রেজেনটশনের ব্যবস্থা। বাত ব্যথা ও এ রোগের প্রতিকার নিয়ে কথা বলেন ডা. ফাহিদ বিন নজরুল, ডা. আশিকুজ্জামান ও ডা. মাহফিল তানি। রোগীদের একজন সাবেক যুগ্ম সচিব আনোয়ারা বেগম। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন আমি এর আগে দেখিনি। আমি ২০ বছর আগে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হই। অনেক চিকিৎসা নিয়েছি। কিছুদিন ধরে এই চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসায় আমি বেশ ভালো আছি।’ সাবেক জেলা জজ শামসুল ইসলাম। তিনিও একজন রোগী। অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে শাসছুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ঘুমালে অনেক স্বপ্ন দেখি। কিন্তু আমার চিকিৎসক যিনি আমার কাছ থেকে ফিস নেন, টেস্ট দিয়ে পকেট খালি করেন সেই চিকিৎসক আমাকে নিয়ে সারাদিন কাটাবেন। রোগ সম্পর্কে সচেতন করবেন। পরামর্শ দিবেন। এমন আয়োজন তো কল্পনা করার কথাও না করি না।’ দুপুরের খাবার আগেই শুরু হয় ব্যায়াম সেশন। অধীনস্তদের সঙ্গে নিয়ে নিজ হাতে রোগীদের ব্যায়াম শেখান ডা. নজরুল। পরের পর্বে ছিল বাতের রোগীদের সহযোগিতার লক্ষ্যে গড়া ফাউন্ডেশনের ঘোষণা। উপস্থিত রোগীদের কণ্ঠভোটে নাম দেয়া হয় ‘ডা. নজরুল ইসলাম ফাউন্ডেশন’। দীর্ঘ চিকিৎসা নিতে অক্ষম রোগীদের চিকিৎসায় সহযোগিতা করবে এই ফাউন্ডেশন। পরে এমন আয়োজনের কথা তুলে ধরে ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিনিয়ত অসংখ্য মানুষকে চিকিৎসা দিয়ে থাকি। কিন্তু এই রোগে আক্রান্ত মানুষের কথা বলে বোঝানো যাবে না। দীর্ঘদিন ধরে এই চিকিৎসা চালাতে হয়। অনেকের সামর্থও থাকে না। যে কারণে রোগীদের চিকিৎসা সহযোগিতা করার লক্ষ্যে আমরা ফাউন্ডেশন গঠন করেছি। ব্যক্তিগতভাবে আমার ইচ্ছা দুনিয়া থেকে চলে গেলেও এমন কিছু করে যেতে পারি যাতে অসহায় মানুষগুলো সহযোগিতা পায়। আশা করি সবাই এগিয়ে আসবেন। ফাউন্ডেশনে যে আমানত রাখা হবে তার যেন সুষ্ঠু ব্যবহার করতে পারি সেই দোয়া করবেন।’ পরের পর্বে কণ্ঠশিল্পী জানে আলম বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গান পরিবেশন করেন। সবশেষ র‌্যাফেল ড্রয়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। সুত্রঃ dhakatimes24

বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ চান জাতিসংঘ

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ চান জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তার মুখপাত্র স্টিফান দুজারিক তার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এই প্রত্যাশার কথা জানান। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারামুক্তি বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের কার্যালয় কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে কি না- এমন এক প্রশ্নের জবাবে দুজারিক বলেন, ‘আমরা আমাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছি এবং প্রত্যাশা ব্যক্ত করি। যেকোনো দেশের ক্ষেত্রেই এটা আমাদের মৌলিক অবস্থান।’ জিয়া অরফারেনজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। তারপর থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবের এই মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা আশা করছি, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন যেন হতে পারে, সেরকম একটি পরিবেশ গড়ে তোলা হবে।’ এ বিষয়ে বিদেশি গণমাধ্যম ও কূটনীতিকদের আলাদাভাবে ডেকে ব্রিফ দিয়েছে বিএনপি। পাশাপাশি খালেদার মুক্তি দাবিতে মানববন্ধন, অবস্থান, অনশন, গণস্বাক্ষরের মতো কর্মসূচির মতো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে দলটি। বিএনপির অভিযোগ, খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে এই সাজা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওই ব্রিফিংয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও কথা বলেন দুজারিক। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র বলেন, যেকোনো প্রত্যাবাসনই হতে হবে স্বেচ্ছায় এবং জোরজবরদস্তি ছাড়া। দুজারিক আরো বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের যেন কোনো তাঁবুতে ফিরতে না হয়। তাদের আপন ঘরে ফেরার ব্যবস্থা করতে হবে, যেখান থেকে তাদের জোরপূর্বক বিতাড়িত করা হয়েছিল।’ সুত্রঃ breakingnews.com.bd

বিএনপির ৩ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

নিউজ ডেস্কঃ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নতুন করে তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। এই দফায় আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান চলবে। এরপর ১৮ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে এবং ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ছাড়া দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করেন বিশেষ আদালতের বিচারক ডা. মো. আখতারুজ্জামান। রায়ে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। এই সাজার প্রতিবাদে ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে বিক্ষোভ করে বিএনপি। এ ছাড়া প্রতীকী অনশন ধর্মঘটও করে দলটি। এতে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় ২০ দলীয় জোট।

২০ ফেব্রুয়ারি থেকেই ফোরজি

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্কঃ আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি থেকেই ফোরজিসেবা পাবেন গ্রাহকরা বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির সচিব সরওয়ার আলম। মোবাইল ইন্টারনেটে দ্রুতগতির সেবায় ফোরজি সর্বশেষ প্রযুক্তি। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচলিত থ্রিজির এটি পরের ধাপ। বাণিজ্যিকভাবে প্রথম এ সেবা চালু হয় ২০০৯ সালে; নরওয়ে ও সুইডেনে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ প্রায় সব উন্নয়নশীল দেশেই ফোরজিসেবা চালু আছে। বাংলাদেশে সে হিসাবে এটি বেশ পরেই এলো। দেশে ফোরজিসেবা চালু করবে গ্রামীণফোন, রবি আজিয়াটা, বাংলালিংক ও সরকারের মালিকানাধীন টেলিটক। সবাই এ নিয়ে নিজেদের প্রস্তুতি গুছিয়ে এনেছে। মঙ্গলবার ফোরজিসেবার বেতার তরঙ্গ নিলামের আয়োজন করেছে বিটিআরসি। গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক তাতে অংশ নেবে। ফোরজির জন্য রবি ও টেলিটকের কাছে যথেষ্ট তরঙ্গ থাকায় তারা নিলামে অংশ নেবে না। নিলামের পর ফোরজি চালুর জন্য সময় থাকবে এক সপ্তাহ। সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বলেছে- সব কাজ সেরে গ্রাহকপর্যায়ে ঢাকাসহ দেশের বড় বিভাগীয় শহরে সেবাটি সময়মতো চালু করা যাবে। বিটিআরসির ফোরজি নীতিমালা অনুযায়ী, লাইসেন্স পাওয়ার দেড় বছরের মধ্যে দেশের সব জেলা শহরে সেবাটি চালু করতে হবে; তিন বছরের মধ্যে সব উপজেলায়। বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেন, ‘২০ ফেব্রুয়ারি মোবাইল ফোন অপারেটরদের হাতে ফোরজির লাইসেন্স আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হবে। এই দিন থেকে সেবা চালু করতে তারা কারিগরিভাবেও প্রস্তুত।’ এর আগে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন জানিয়েছিলেন চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফোরজিসেবা চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মার্চে নিলাম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ সেবার উদ্বোধন করার ঘোষণা দিয়েছিল বিটিআরসি। তবে এ সেবা চালু হওয়ার আগে ২০টি প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। প্রস্তাবনাগুলো হল- ০১। টেলিকম খাতে আজ পর্যন্ত কী পরিমাণ লুটপাট হয়েছে তার অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে। অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। প্রযুক্তি ও টেলিকমসেবা খাতের গ্রাহকদের স্বার্থরক্ষা করার জন্য একটি আলাদা সুরক্ষা আইন ও নিষ্পত্তির জন্য আলাদা সংস্থা তৈরি করা সময়ের দাবি। ০২। ফোরজিসংবলিত হ্যান্ডসেটের ওপর আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করতে হবে। ০৩। নেট সমতার নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। ০৪। ইন্টারনেটের মূল্য ও টকটাইমের ওপর কর হ্রাস করে মূল্য কমাতে হবে এবং মধ্যস্বত্ত্বভোগী অপারেটর তুলে দিয়ে কলরেট কমাতে হবে। ০৫। এমএনপির চালুর সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন চাই। ০৬। বিটিএসের তেজস্ক্রিতা নিয়ন্ত্রণের জন্য মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। ০৭। তরঙ্গ নিরপেক্ষতা প্রদান করতে হবে। ০৮। জালজালিয়াতির মাধ্যমে যেসব সিম বিক্রি করা হয়েছে তা বন্ধ করতে হবে। ০৯। অপারেটরদের কাছ থেকে যত্রতত্র অফারের মেসেজ ও শর্টকোড নাম্বার থেকে ফোন করা বন্ধ করতে হবে। ১০। রিটেইলারদের কার্যক্রম তদারকির জন্য মনিটরিং সেল চালু করতে হবে। ১১। আইএসপি লাইসেন্সধারীদের ব্যান্ডউইথ বিক্রি ও ব্যবহারের ওপর নজরদারি রাখতে হবে। ১২। কলড্রপের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের সঠিক তথ্য প্রকাশ করতে হবে। ১৩। নকল ও নিম্নমানের হ্যান্ডসেট, সফটওয়্যার, কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ বিক্রি বন্ধ করতে হবে। ১৪। মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম মনিটরিং করার জন্য যৌথ মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে। ১৫। ফেকআইডি খুলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। ১৬। পর্নোগ্রাফি ও পাইরেসি নিয়ন্ত্রণে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ১৭। ফেসবুক, ইউটিউব, হোয়াটসআপ, ইমো, ভাইভার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে যৌথ চুক্তি বাস্তবায়ন করতে হবে। ১৮। সাইবার নিরাপত্তাকর্মী তৈরি করতে হবে। ১৯। ডিজিটাল আইনে ৫৭ ধারার রূপান্তর না করা। ২০। নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা দ্রুত কার্যকর করে সীমান্ত ওপারের নেটওয়ার্ক বন্ধ করতে হবে। সুত্রঃ jugantor

বসন্ত বাতাসে সইগো বসন্ত বাতাসে……

এ এক হৃদয় উসকে দেয়ার ঋতু, যে এলে মনে মনে নির্জনে আগুন ধরে যায়। যে আগুনে দাহ নেই, ঔজ্জ্বল্য আছে। আর তাতে অনুভূতি ডানা মেলে দেয় প্রেমের চাঞ্চল্যে। বয়সীরাও বয়স ভুলে তরুণ হয়ে ওঠেন। যেন কবিতার মতো ‘ফুল ফুটুক বা নাই ফুটুক’ পয়লা ফাল্গুন এলেই ভোরের বাতাস সবার হৃদয়ের দরজায় কড়া নেড়ে বলে দেয় ‘আজ বসন্ত’। গাছে গাছে ফুল না ফুটলেও হৃদয়ের সব কলি মেলে দেয় পাপড়ি। হৃদয় কী যেন চায়! কাকে যেন চায়! মনে হয়, ‘এমন দিনে তারে বলা যায়!’ কেন এমন হয়? মন এমন উচাটন হয়ে ওঠে কেন? চরম উদাস হৃদয়ও কেন আড়মোড় ভেঙে জেগে ওঠে, গেয়ে ওঠে, সেজে ওঠে? কোন সে যাদুর পাখি হৃদয়ে ঢুকে তোলপাড় করে চুপচাপ বাড়ির নীরবতা? তবে কি বসন্ত জাদুকর ঋতু? তাহলে সে কী যাদু দেখায়? ডালে ডালে নতুন পাতার যৌবন, কৃষ্ণচূড়া, ডালিয়ার ডাল রক্তরঙিন হয়ে ওঠা, ভোরের বাতাসে ফুলের পায়চারি, বাউল হাওয়ার মাতলামিই- এসবই কি এ ঋতুকে যাদুকর করে তোলে? যার তীক্ষ্ম স্পর্শে সব শরীর ও হৃদয়ে নব ভাবাবেগ জেগে ওঠে। প্রেমের নৌকায় লাগে পাল। যে পালে বসন্ত বাতাস দেয় চঞ্চল গতির প্রবাহ। আসলে ঠিক তাই। প্রকৃতির এই আমূল বদলে যাওয়াতো মূলত শীতের পৌঢ়াকে যুবতী বাতাসের তাড়ায় অলৌকিক নব যৌবনে উদ্ভাসিত করার ফলশ্রুতিই। আর পয়লা ফাল্গুনের সঙ্গে ভালোবাসার যোগ থাকবে নাইবা কেন, এর পরের দিনই যে ভালোবাসার দিন! নব আবেশে ভালোবাসাবাসির দিন! তাই প্রকৃতিরও এই যুবতী হয়ে ওঠা। যেন বসন্ত ইন্দনের ঋতু, যে আসলে উতলঅ বাতাস পাঠিয়ে জাগাতে আসে হৃদয়ের রঙিন আগুনের রূপ। তাই ভেতর-বাহির হয় প্রকাশিত। যাদের প্রেমিক বা প্রেমিকা রয়েছে সেই সব তরুণ বা তরুণী এইদিন পরষ্পরের হাত ধরে রমনা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, টিএসসি, ধানমণ্ডি লেক কিংবা রবীন্দ্র সরোবরে নবআনন্দ ধারায় ঘুরবে- এতো পয়লা ফাল্গুনে এই শহরের চিরচেনা দৃশ্য। তরুণীদের পরনে থাকবে লালপাড় বাসন্তী রঙ শাড়ি, কব্জিতে বাজবে লাল বা রঙবেরঙের চুড়ি, পায়ে আলতা, করতলে আঁকা থাকবে মেহেদীর বাহারি নকশা, চুল বাঁধা লাল ফিতায় আর মুখে রংধনু হাসি। আর প্রেমিক যুবক তো ফতুয়া বা পাঞ্জাবি পড়া হাল আমলের কৃষ্ণ। সেও যেন একটু বাউল হয়ে ওঠে, হয়ত ভ্রাম্যমাণ আঁকিয়েদের দিয়ে হাতে আঁকিয়ে নেয় ফুলের নকশা, অন্য দিন হলে হয়ত যা করতে সে লজ্জা পেত। এই দিনে বয়সীদের বয়সও যেন উড়িয়ে নিয়ে যায় বসন্ত বাতাস। তারাও যেন একটু আড়াল খোঁজে প্রিয় সঙ্গীটিকে আরেকটু কাছে পাওয়ার, হয়ত প্রথম হাত ধরার স্মৃতি পরষ্পরের হাতকে নিয়ে আসে হাতের ওপরে। একটু বেশিই রোমাঞ্চ হয়ে যায়, লজ্জাটজ্জা ভুলে। যেন এমন দিনে সব আগল খোলা, আত্মভোলা হওয়াই নিয়ম। গাছে গাছে নব পত্রপল্লব ও নতুন ফুলের সাম্রাজ্যে বাতাস বুক খুলে দিলে প্রকৃতির রূপও যেন এদিন ফেটে পড়তে চায়। আর নারীরাও হয়ে ওঠে প্রকৃতির প্রতিদ্বন্দ্বী! যেন বিষয়টা এমন, আমরাই বা রূপের বাহারে এমন দিনে পিছিয়ে থাকব কেন! যে সব তরুণ বা তরুণীর প্রেমিক বা প্রেমিকা নেই তাদেরও যেন মনে হয় ‘এমনও দিনে তারে বলা যায়’। এমন প্রভাতে ওই যে বাসন্তী রঙ শাড়ি পরা তরুণী, চোখ বারবার যার দিকে টেনে নেয়, তাকে বলাই উচিত! কিংবা বন্ধুদের আড্ডায় ওই যে সবুজ-লাল ফতুয়া পড়া শ্যাম ছেলেটা, যার মুষলধারার হাসি আছড়ে পড়ছে একা তরুণীর হৃদয়ে, তাকে দেখে যেন মনে হয় ‘চোখে রাখি চোখ, চোখে চোখে কথা হোক’। আজ এমন কথা বলারই তো দিন! হয়ত এভাবেই কোনো একা তরুণের পাঠানো চিরকুট কোনো একা তরুণীর হৃদয়ের দুয়ার খুলে দেয়। দু’জনের মনের উঠানে তখন লটারি জয়ীর রোদ। ফাল্গুনের আগমনে সবাই যেন সত্যি সত্যি বাউল। হয়ত কোনো প্রেমিকা পার্কের বেঞ্চিতে বসে ঝাঁঝাঁ দুপুরে তার প্রেমিকের আরেকটু কাছে ঘেঁষে বায়না ধরে বলে, ধরো না সেই গান…। প্রেমিকও সংকোচ ভুলে পার্কের জনমানুষের ভিড়ে গলা ছেড়ে গেয়ে উঠে, ‘দক্ষিণা পবনে দোলে, বসন্ত এসে গেছে…’। তরুণীর মনে তখন হাজার পাখির কলকাকলি, হয়ত চোখের কোনায় সুখের সামান্য নুন! যেন সে নুন বলতে চায়, এমন সুখের দিন প্রতিদিন কেন যে আসে না প্রভু! প্রেমিক-প্রেমিকা এভাবে হাত ধরে ঘুরতে ঘুরতে ফুচকা খায়, চটচটি খায়, একটু আড়াল পেলে দুএকটা সতর্ক চুমু…! হয়ত ফুচকা খেতে খেতে প্রকাশ্যে রোমান্টিক হয়ে ওঠে, নিজ হাতে প্রিয় মানুষটির মুখে একটা ফুচকা তুলে দেয়। ফুচকাওয়ালা আড়চোখে দেখে হাসে। হয়ত মনে মনে ভাবে সন্ধ্যায় ফুসকা বিক্রি শেষে সেও বউকে নিয়ে যোগ দেবে বিকেলের বসন্তবরণ উৎসবে। সন্ধ্যায় বাসায় ফেরার পথে সে বউয়ের জন্য একটা বাসন্তী রঙ শাড়ি কেনে, লাল চুড়ি কেনে, একটা আলতাও কিনে নেয় সাথে। হয়ত যে প্রেমিক-প্রেমিকা দুপুরে তার দোকানে ফুচকা খেয়েছিল, তাদের সঙ্গে ফুচকাওয়ালা দম্পতির বসন্তবরণ গানের অনুষ্ঠানে দেখা হয়ে যায়। ফুচকাওয়ালা একটু লজ্জা পায়। আহা! ফাল্গুনের সংক্রামিত প্রেম! প্রকৃতির আমন্ত্রণে সামিল দম্পতিরাও যেন বিয়ের প্রথম দিনের মতো একটু বেশিই রোমান্টিক হয়ে ওঠে। যেনবা পার্কে বেড়াতে বেড়াতে স্বামীর কনিষ্ঠ আঙুল স্ত্রীর কনিষ্ঠায় চলে যায় নিজেদের অজান্তেই। এই দেখে ইর্ষায় পোড়ে একা তরুণ বা একা তরুণী। এমন দিনে হয়ত কোনো ছেলে বন্ধু তার মেয়ে বন্ধুর সাথে বা মেয়ে বন্ধু তার ছেলে বন্ধুর সাথে বন্ধুত্বের চেয়ে একটু বেশি রোমান্টিক হয়ে ওঠে আচরণে, যেন তারা প্রেমিক-প্রেমিকা। তাদের হৃদয়ে হয়ত বেজে ওঠে ‘আমিও চাই, হৃদয়ে হৃদয় সেলাই’। আসলে এসব তো পয়েলা ফাল্গুনের যাদুরকাঠির ছোঁয়ায় জেগে ওঠা প্রেমের কোরাস। যা কিনা আপনাকে বুঝতে না দিয়েই আপনার পদক্ষেপ প্রেমের দিকে করে তাড়িত। আর ২০ বছর সংসার করা স্বামী-স্ত্রীরও মনে হয়, এইতো কেবল সেদিন শুরু হলো প্রণয়। একা তরুণ বা একা তরুণীর মনে হয় ‘অমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল’। আবহমান কাল ধরে প্রতি পয়েলা ফাল্গুনে এমন নানান কাহিনি ঘটে যায়, বাংলার কানায় কানায়। হয়তো কোনো একা তরুণী খুঁজে পায় তার আরাধ্য তরুণকে। আর একা তরুণ পায় স্বপ্নের তরুণীকে। আর হয়তই বা কেন, ওইতো গাছে গাছে গজিয়েছে নতুন পাতা, কৃষ্ণচূড়ার শাখায় লেগেছে আগুন, বাতাস নাড়ছে কড়া হৃদয় দুয়ারে, বাগানে ডেকে উঠছে কোকিল, হৃদয়ে হৃদয়ে বাজছে- ‘বসন্ত বাতাসে সইগো বসন্ত বাতাসে, বন্ধুর বাড়ির ফুলের গন্ধ আমার বাড়ি আসে সইগো বসন্ত বাতাসে…’   সুত্রঃ breakingnewsbd24

আমিও ক্ষমতায় ছিলাম না, আওয়ামী লীগও থাকবে না: এরশাদ

নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বলেছেন, চিরকাল কেউ ক্ষমতায় থাকে না, আমিও ছিলাম না। আওয়ামী লীগও থাকবে না। সোমবার দুপুরে রাজধানীর ভাষাণটেক মোড়ে পথসভায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। আগামী একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-১৭ (ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান, বনানী, ভাষানটেক) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করারও ঘোষণা দেন এরশাদ। ২০০৮ সালের নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। এদিন উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশ্যে এরশাদ বলেন, আমি এখানে এমপি (সংসদ সদস্য) ছিলাম। আগামীতে আবার নির্বাচন করতে চাই। আপনারা কি আমাকে ভোট দেবেন? এ সময় উপস্থিত স্থানীয় লোকজন হাত উঁচিয়ে তাকে সমর্থন জানান। সাবেক এই রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, আমার সময়ে খুন গুম ছিল না। মানুষ শান্তিতে ছিল। আপনারা আমাকে ভোট দিলে, আবার শান্তি ফিরিয়ে আনতে চাই। 'আমি বড়লোকের রাজনীতি করি না, গরিবের রাজনীতি করি। আপনাদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই।' পথসভায় জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, এসএম ফয়সল চিশতী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সুত্রঃ bd-pratidi

পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে ফোন নিষিদ্ধ

নিউজ ডেস্কঃ চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতরে এবং কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোনসহ কাউকে পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে রবিবার এই নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এছাড়া পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা আগে কোনো পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে প্রবেশ না করলে তাকে আর কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (মাউশি), সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের এই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানে ‘জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত’ এই আদেশে বলা হয়, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে সব পরীক্ষার্থীকে হলে প্রবেশ করে আসনে বসার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, কিছু কিছু কেন্দ্রে ওই সময়ের পরেও পরীক্ষার্থীরা প্রবেশ করছে। এছাড়া বিভিন্ন কেন্দ্রের আশেপাশে অনেকেই স্মার্টফোন নিয়ে ঘোরাফেরা করছে। নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষার সময় কেবল কেন্দ্র সচিব সাধারণ একটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারেন, যা দিয়ে ছবি তোলা যায় না। তবে ওই ফোনটিও কেন্দ্র সচিবের কক্ষে রেখে ব্যবহার করার নিয়ম। সুত্রঃ breakingnews.com.bd

সাতক্ষীরা সীমান্তে ৭০ লাখ টাকার হীরার গহনা উদ্ধার

নিউজ ডেস্কঃ সাতক্ষীরার সদর উপজেলার লক্ষীদাড়ি সীমান্ত থেকে থেকে বিপুল পরিমাণ হীরার গহনা জব্দ করেছে বিজিবি। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭০ লাখ টাকা। তবে এ ঘটনায় বিজিবি কাউকে আটক করতে পারেনি। রোববার সকাল ৯টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানায় বিজিবি। সংবাদ সম্মেলনে সাতক্ষীরা ৩৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার মোস্তাফিজুর রহামান জানান, ৫ ফেব্রুয়ারি বিজিবির ভোমরা ক্যাম্পের নায়েক সুবেদর আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে বিজিবির একটি দল লক্ষ্মীদাড়ি সীমান্তের তিন নম্বর মেইন পিলারের সাব পিলার দুই/তিন এর ৭০ গজ ভেতরে অভিযান চালায়। ওই সময় বিপুল গহনা জব্দ করা হলেও কোনো চোরা কারবারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। গহনাগুলো প্রাথমিকভাবে হীরার বলে মনে হয়েছে। পরে গহনাগুলো হীরার কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়। পরীক্ষায় দেখা যায় জব্দকৃত গহনাগুলো আসল হীরার। উদ্ধার করা গহনার মধ্যে রয়েছে ৯৭টি আংটি, ২০টি লকেট ও ৫০টি নাকফুল। এসব গহনার বাজার মূল্য প্রায় ৭০ লাখ টাকা।

আগামীকাল ইতালি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্কঃ ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্টের প্রেসিডেন্ট গিলবার্ট এফ হাংবোর আমন্ত্রণে আগামী্কাল ১১ ফেব্রুয়ারি ইতালি যাচ্ছেন তিনি। ১৩ ফেব্রুয়ারি ইতালির রোমে কৃষি উন্নয়নবিষয়ক আন্তর্জাতিক তহবিল-ইফাডের ৪১তম গভর্নিং কাউন্সিলের উদ্বোধনী সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী ও সফরসঙ্গীদের নিয়ে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট রোমের উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ত্যাগ করবে। ফ্লাইট স্থানীয় সময় সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় রোমের ফিউমিসিনো বিমান বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ইতালিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদার বিমান বন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন। আইএফএডির গভর্নিং কাউন্সিলের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে- ‘ফ্রম ফ্রাগিলিটি টু লং টার্ম রেজিলেন্স : ইনভেস্টিং ইন সাসটেইনেবল রুরাল ইকোনমিকস’। প্রধানমন্ত্রী মূল প্রবন্ধে তাঁর সরকারের অন্যান্য উন্নয়ন উদ্যোগ ছাড়াও দেশের সাফল্য এবং কৃষি খাতের অর্জন তুলে ধরবেন। সফরকালে শেখ হাসিনা ইতালির প্রধানমন্ত্রী পাওলো জেনতিলনির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন ও পরিবেশ খাতে সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হবে। পাশাপাশি তিনি ভ্যাটিকান সিটি পরিদর্শন করবেন এবং পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসাবে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী থাকবেন।
1 2 3 37