Entertainment

দীপিকার মাথা কাটলে ৫ কোটি রুপি দেবেন বিজেপি নেতা!

নিউজ ডেস্কঃ
ভারতের বিখ্যাত অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের মাথা কাটলে পাঁচ কোটি পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপির এক নেতা। পদ্মাবতী চলচ্চিত্র নিয়ে বিতর্কের জেরে দীপিকাকে হত্যার এ হুমকি দেন।

এ থেকে বাদ যাননি পদ্মাবতীর পরিচালক সঞ্জয়লীলা বনশালীও। তার মাথা কাটলেও পাঁচ কোটি রুপি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ওই নেতা। হুমকিদাতা সুরজ পাল আমু হরিয়ানা রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি দীপিকা ও বনশালীর মাথা কাটবেন, তার পরিবারের সব দায়িত্ব নেবেন তিনি।

এ ছাড়া পদ্মাবতী ছবিতে মুসলিম শাসক আলাউদ্দিন খিলজির ভূমিকায় অভিনয় করা রণবীর সিংয়ের হাত-পা মেরে ভেঙে দেবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন বিজেপি নেতা সুরজ পাল আমু।

এদিকে পদ্মাবতী নিয়ে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হওয়ায় চলচ্চিত্রটির মুক্তি নিয়ে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে।

তিনি কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী স্মৃতি ইরানিকে চিঠি লিখে পদ্মাবতী রিলিজের বিষয়টি বিশেষ নজরে দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। এর মধ্যে অবশ্য পদ্মাবতীর মুক্তি পিছিয়ে গেছে।

সুত্রঃ jugantor

চলচ্চিত্র ধ্বংস হয়েছে শাবানার কারণে!

১৯৯৭ সালে ‘মেয়েরাও মানুষ’ মুক্তির পর থেকেই লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যান কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা। বর্তমানে নিউ জার্সিতে বসবাস করছেন। ১৯৯৭ সালে শাবানা দীর্ঘ ৩৪ বছরের কর্মজীবন শেষে চলচ্চিত্রাঙ্গন থেকে বিদায় নেন। এরপর তিনি আর নতুন কোনো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেননি।

এদিকে তার অনুপস্থিতে চলচ্চিত্র জগত হয়েছে অবিভাবক শূন্য। এমনটাই মনে করেন প্রবীণ অভিনেতা সিরাজ হায়দার। গত দুই দশকে প্রায় ৫০০ ছবিতে তাকে দেখা গেছে। ছোট বড়, কৌতুক, সিরিয়াস প্রায় সকল চরিত্রেই নিজেকে সেরা প্রমাণ করেছেন এই অভিনেতা।

এবার বর্তমান চলচ্চিত্রের অবস্থা বলতে গিয়ে আবেগের সাথে বলেন, ‘শাবানা মেডাম বাংলা চলচ্চিত্রটাকে ধ্বংস করেছে! তার সময়ে পারিবারিক গল্পের সিনেমা দিয়ে দর্শক মাত করে রাখতেন। সিনেমা দেখে দর্শক হলে বসেই কাঁদতো-হাসতো আনন্দ করতো। শাবানার অভিনীত সিনেমা মানেই মা-বোনেরা দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়তো।

পরিবারে ঘটে যাওয়া পরিচিত গল্পের সিনেমা হত, মানুষ সিনেমার চরিত্রগুলো নিজেদের সঙ্গে মেলাতেন। যখন দেখতো সিনেমার গল্প জীবনের সঙ্গে মিলে গেছে তখন দর্শক শান্তি পেতো। মুগ্ধ হত। এমন ভালো গল্পের সিনেমা দেখে আবার অপেক্ষায় থাকতো শাবানার সিনেমা কখন আসবে।

শাবানা চলচ্চিত্র ছেড়ে আমেরিকায় চলে গেল আর বাংলা চলচ্চিত্রটাকে ধ্বংস করে গেল। তিনি নেই বলে আজ পারিবারিক সুন্দর সুন্দর গল্পের ছবি নির্মিত হচ্ছে না। মানুষ এখন আর আগের মতো ছবি দেখে হাসতে-কাঁদতে পারে না। ছবির সঙ্গে তাদের জীবনের মিল খুঁজে পায় না। তাই এখন আর পারিবারিক ভাবে দর্শক ছবি দেখতেও আসে না।

দর্শক হলে আনতে হলে পারিবারিক গল্পের ছবি চাই। বাস্তবতার নিরিখে সে ছবি নির্মিত হতে হবে। হলে নারী টানতে হবে। তবেই আবার আমাদের সিনেমা দেখতে হলমুখি হবে।’

সুত্রঃ http://www.breakingnews.com.bd/bangla/entertainment/43900.online

এই সুন্দরী নায়িকাদের কাকে পেতে কত লাগে

বলিউডের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই এগোচ্ছে টলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেখানে ভালো কিছু পারফরমারও দেখা গেছে। তবে বলিউডের সঙ্গে টলিউডের বাজের পার্থক্য থাকায় নায়িকাদের পারিশ্রমিকেও রয়েছে তফাত। তবে যথেষ্টই পারিশ্রমিক পান কিন্তু টলি সুন্দরীরাও।

নায়িকাদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধি নিয়ে অনেকদিন ধরেই সোচ্চার হয়েছেন অনেক অভিনেত্রীই। এ নিয়ে প্রথমে মুখ খোলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। যিনি বলিউউড পেরিয়ে এই মুহূর্তে মাত করছেন হলিউড। নায়িকাদের পারিশ্রমকি কেন নায়কদের থেকে কম হবে, তা নিয়ে বহু দিন ধরেই বহু সমালোচনা বিতর্ক হয়েছে। তা নিয়ে আজো বেশ সরগরম বলিপাড়ার নামি অভিনেত্রীরা।

টলিউডে পারিশ্রমিক নিয়ে নায়িকাদের কোনো রকমের অসন্তুষ্টির বক্তব্য সেভাবে জোরালো হয়নি। একনজরে দেখে নেওয়া যাক কোন কোন টলিউড নায়িকা কী-রকম পারিশ্রমিক পান। তবে এই তালিকায় সবাইকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী।

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত
বাংলা চলচ্চিত্রে নব্বইয়ের দশক একাই মাত করে রেখেছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এই অভিনেত্রীর জনপ্রিয়তা এখনো কিছু কম নয়। তার প্রতি সিনেমার পারিশ্রমিক ১১ লাখ রুপি।

রাইমা সেন
বাংলা চলচ্চিত্রে যে সকল অভিনেত্রী রয়েছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম দক্ষ অভিনেত্রী রাইমা সেন। স্বনামধন্যা অভিনেত্রীর পরিবারের সন্তান এই নায়িকার পারিশ্রমিক প্রতিটি সিনেমা পিছু ৭ লাখ রুপি।

পাওলি দাম
টলিউডের আরেক নামি অভিনেত্রী তথা দক্ষ নায়িকা পাওলি দাম প্রতি ফিল্ম পিছু ১০ লাখ রুপি করে পারিশ্রমিক নেন। বাংলা চলচ্চিত্রের সমান্তরাল ছবিতে পাওলি যেভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন তা প্রশংসনীয়।

শুভশ্রী
অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী পারিশ্রমিক ২৩ লাখ রুপি, প্রতিটি ফিল্মের জন্য। শুনতে কিছুটা অবাক লাগলেও টলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল ও ঋতুপর্ণাকেও পারিশ্রমিকের বিচারে শুভশ্রী ছাপিয়ে গেছেন বলেই সূত্রের খবর।

কোয়েল মল্লিক
বাংলা চলচ্চিত্র জগতে অন্যতম প্রখ্যাত অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। বলা যায় এই মুহূর্তে তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। প্রতি ফিল্মের জন্য কোয়েল মল্লিক ২০ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নেন।

শ্রাবন্তী
প্রতিটি ফিল্মের জন্য শ্রাবন্তী পারিশ্রমিক হিসাবে পান ১৮ লাখ রুপি। বাণিজ্যিক বাংলা ছবিতে শ্রাবন্তী বেশ নাম অর্জন করেছেন।

মিমি চক্রবর্তী
এই সুন্দরী অভিনেত্রীর পারিশ্রমিক ১৭ লাখ রুপি প্রতি ফিল্ম পিছু। সিরিয়ালে অভিনয় দিয়ে তাঁর কেরিয়ার শুরু হলেও, তিনি দিনে দিনে নিজের দক্ষতায় টলিউডে প্রথম সারির অভিনেত্রী হিসাবে উঠে এসেছেন।

নুসরাত জাহান
বাংলা চলচ্চিত্র জগতে অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। একের পর এক হিট ছবির নায়িকা নুসরাত ছবি পিছু ১৫ লাখ রুপি করে পারিশ্রমিক নেন।

সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়
অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রত্যেকটি ফিল্ম পিছু ১৪ লাখ রুপি করে পারিশ্রমকি নেন। এই মুহূর্তে বাণিজ্যিক বাংলা ছবিতে তার জনপ্রিয়তা বেশ ভালো।

পায়েল সরকার
পায়েল সরকার প্রতিটি সিনেমা পিছু ৮ লাখ রুপি পারিশ্রমিক হিসাবে নেন। টলিউডের এই মিষ্টি নায়িকা নিজেকে দিন দিন পরিণত করেছেন বাণিজ্যিক ছবি থেকে সমান্তরাল ছবিতে।

সুত্রঃ http://www.breakingnews.com.bd/bangla/entertainment/40494.online

‘পদ্মাবতী’ দেখালে হল পোড়ানোর হুমকি

মুক্তির আগেই একের পর এক বাধার সম্মুখিন হচ্ছে ভারতের স্বনামধন্য পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানশালির বহুল আলোচিত ছবি ‘পদ্মাবতী’। রাজস্থানে ছবিটির শুটিং শুরু করতে গেলে স্থানীয় মানুষের বিক্ষোভের মুখে সেখান থেকে ‘পদ্মাবতী’র সেট সরিয়ে নিতে বাধ্য হন পরিচালক। এবার সেই রাজস্তানেই আরেক বাধার মুখোমুখি বানশালি।

এবার হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে জয় রাজপুতানা সংঘের পক্ষ থেকে। জানানো হয়েছে, অনুমতি ছাড়া রাজস্থানের কোনও সিনেমা হলে ‘পদ্মাবতী’মুক্তি দিলে সেই হল পুড়িয়ে দেয়া হবে।

সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ভাওয়ার সিং জানিয়েছেন, ‘প্রায় আড়াই লাখ সদস্য রয়েছেন তাঁদের সংগঠনে। রাজ্যের প্রত্যেকটি হলের মালিকদের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে। পাঠানো হয়েছে পোস্টার। যাতে বলা হয়েছে, আগে সংগঠনের প্রতিনিধিদের ছবিটি দেখানো হবে। তারা যদি মনে করেন ছবিতে রানি পদ্মাবতীর মহিমা ক্ষুণ্ন করা হয়নি, তবেই সাধারণ দর্শকদের দেখানোর অনুমতি দেবেন। পোস্টার মধ্যপ্রদেশ ও গুজরাটেও পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

জয় রাজপুতানা সংঘের পক্ষ থেকেই অভিযোগ ছিল, ‘পদ্মাবতী’তে ইতিহাস বিকৃত করা হচ্ছে। আলাউদ্দিন খিলজি ও রানি পদ্মাবতীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ‘পদ্মাবতী’ ছবিতে নায়িকা দীপিকার ফার্স্টলুক প্রকাশ্যে আসার পর রাজস্থানের বিভিন্ন স্থানে পোস্টার পোড়ানো হয়।

গত ৯ অক্টোবর সোমবার ইউটিউবে মুক্তি দেয়া হয় বানশালির ‘পদ্মাবতী’র ট্রেলার। ট্রেলারেই রেকর্ড গড়েন পরিচালক। ছবি মুক্তির কথা রয়েছে আগামী ১ ডিসেম্বর। এতে রানি পদ্মাবতীর চরিত্রে অভিনয় করছেন দীপিকা পাড়ুকোন। আলাউদ্দিন খিলজি ও রাজা রাওয়াল রতন সিংয়ের ভূমিকায় দেখা যাবে রণবীর সিং ও শহিদ কাপুরকে।

সুত্রঃ dhakatimes24

বলিউডে অভিষেক হচ্ছে অভিনেত্রী জাকিয়া বারি মমর

ছোট পর্দার নিয়মিত অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম। ইতোমধ্যে কয়েকটি চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন তিনি। তবে এবার দেশের গণ্ডি পেরিয়ে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে দেখা যাবে বলিউডের হিন্দি ছবিতে। এখনও নাম চূড়ান্ত হয়নি। ছবিটি পরিচালনা করবেন ফয়সাল সাইফ। আজ শনিবার সকালে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফয়সাল সাইফ বলেন, নারীকেন্দ্রিক আমার নতুন এই ছবিতে বাংলাদেশের জাকিয়া বারী মমকে নিচ্ছি আমি। ডার্ক থ্রিলার ধাঁচের গল্পটিতে বলতে গেলে ছবির মূল নায়ক বা নায়িকা বলতে মমই। কারণ তাকে ঘিরেই ছবির মূল কাহিনী সাজানো।

আগামী ৭ সেপ্টেম্বর এ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার জন্য ভারতে যাচ্ছেন মম। নভেম্বরে কাজ শুরু করার ইচ্ছা রয়েছে পরিচালকের। বলিউডের ফিল্মে অভিনয়ের এই সুযোগকে সম্ভবনা হিসেবে দেখছেন মম। তার মতে, “আমাদের অনেক শ্রদ্ধেয় লিজেন্ড অভিনেতা-অভিনেত্রী বড়পরিসরে কাজ করে এসেছেন। আমি যেন তাদের মান রাখতে পারি সেটাই কামনা করছি।”

প্রসঙ্গত, ফয়সাল সাইফের ছবিতে কাজ করতে যাওয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশি মম। এর আগে, এই পরিচালকের একটি ছবিতে গত বছর কাজ করেছেন আরেক বাংলাদেশি নিবর।

মমর অভিনীত ছবি গুলো হল, তৌকীর আহমেদের ‘দারুচিনি দ্বীপ’, রকিবুল আলম রকিবের ‘প্রেম করবো তোমার সাথে’ ও শিহাব শাহীনের ‘ছুঁয়ে দিলে মন’ ছবিগুলো মুক্তি পায়। মুক্তির অপেক্ষায় আছে তানিম রহমান অংশু পরিচালিত ‘স্বপ্নবাড়ি’।

নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক মারা গেছেন। (ইন্নালিল্লাহি—–রাজেউন।) সোমবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সোয়া ৬ টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি কোলকাতার টালিগঞ্জের মোল্লাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন রাজ্জাক।

তার বাবা আকবর হোসেন এবং মা মিনারুন্নেসা। তিনি বাবা-মায়ের ছোট ছেলে। খুব অল্প বয়স থেকেই অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন তিনি।

কোলকাতার খানপুর হাইস্কুলে যখন তিনি সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সেই সময়ে তার গেম টিচার রবীন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তাকে মঞ্চ নাটকে অভিনয়ের জন্য বেছে নেন। নাটকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। শিশু-কিশোরদের নিয়ে লেখা নাটক বিদ্রোহীতে গ্রামীণ কিশোর চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়েই নায়ক রাজের অভিনয়ে সম্পৃক্ততা। তিনি ১৯৫৯ সালে বম্বে ফিল্মালয়ে ভর্তি হন। এই সময়ে তিনি পংকতিলক এবং শিলালিপি নামের দুটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

১৯৬২ সালের ২ মার্চ টালিগঞ্জে খায়রুন্নেসাকে বিয়ে করেন রাজ্জাক। বিয়ের পরপরই রাজ্জাকের জীবনে একের পর এক সাফল্য আসতে থাকে । নায়করাজ তখন থেকেই ভালোবেসে স্ত্রীকে লক্ষ্মী বলে ডাকতে শুরু করেন এবং এখনো লক্ষ্মী নামেই ডাকেন। নিজের প্রতিটি কাজের সঙ্গেই নিজের স্ত্রীর নাম যুক্ত রেখেছেন তিনি। যেমন তার বাড়ির নাম ‘ লক্ষ্মীকুঞ্জ’, প্রযোজনা সংস্থা ‘রাজলক্ষ্মী প্রোডাকশন’।

এছাড়া তিনি ১৯৮৪ সালে ঢাকার উত্তরায় গড়ে তোলেন একটি শপিংমল যার নাম দেন ‘রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্স’।

নায়ক রাজের ৩ ছেলে এবং ২ মেয়ে। তার বড় মেয়ে থ্যালাসেমিয়ায় মারা গেছেন। বড় ছেলে বাপ্পারাজ ও ছোট ছেলে সম্রাটও অভিনয় করেন। ১৯৬৪ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হলে রাজ্জাক স্ত্রী এবং পুত্র বাপ্পাকে নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন।

সুত্রঃ http://www.breakingnews.com.bd/bangla/entertainment/35145.online

কেন বিয়ে করেননি সালমান?

শুধু আর খবর বা গসিপে আটকে নেই ব্যাপারটা। সিনেমার পর্দাতেও এ খবর নিয়ে ভরা কোর্টে সওয়ালও করেছেন অক্ষয় কুমার।

সারাদেশ জানতে চায়, কবে বিয়ে করছেন সালমান খান? আদৌ কি আর বিয়ে করবেন তিনি! কে না জানতে চায় সালমানের লাভ লাইফ নিয়ে। কোনও এক নারীর সঙ্গে তাকে দেখা গেলেই শুরু হয়ে যায় জল্পনা। তাহলে এনার প্রেমেই কি হাবুডুবু খাচ্ছেন সল্লু মিঞা?
তাহলে কি এবছরই বসছেন বিয়ের পিঁড়িতে? কিছুদিন আগেই শোনা যায়, সালমানের বিয়ে হতে চলেছে এ বছরের শেষে, ১৮ নভেম্বর। কিন্তু সে জল্পনাতেও জল ঢেলেছেন তিনি নিজেই। কিন্তু এতদিনে জানা গেল কেন বিয়ে করছেন না বলিউডের এই মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর।

খুব শিগগিরই আসতে চলেছে ছোট পর্দার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস সিজন ইলেভেন’। আবারও সঞ্চালকের আসনে সালমান খান। এ বছরের থিম প্রতিবেশী। শুক্রবার প্রকাশিত হলো- এই শো-এর প্রথম টিজার। আর সেই টিজারেও সালমানকে বিয়ে করে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে তার প্রতিবেশী। কিন্তু সালমানের সাফ জবাব এখনও তার বিয়ের সময় হয়নি।

বিয়ে করার কোন তাড়াও নেই তার। টিজারে প্রথমেই দেখা যায় সালমান সিঙ্গল। নিজেই নিজের সমস্ত কাজ করে নিচ্ছেন তিনি। আর সেখান থেকেই ঘটছে যাবতীয় বিপত্তি। বিপত্তি থেকে মুক্তি পেতে সালমনাকে বিয়ে করে নিতে বলছেন প্রতিবেশী বৌদি। তবে সালমান কিছুতেই রাজি নন।

তবে সালমান রাজি হন আর নাই হন এই ভিডিও থেকে একটা তথ্য পরিষ্কার। বিগ বসের এই নয়া মৌসুমে কেবল ঘরের লোকেদের মধ্যে প্রেম, ঝগড়া, মারপিট হবে না, এবার ঘরে এক্সট্রা মশালা জোগাবেন বাইরে কিছু প্রতিবেশীও।

সুত্রঃ bd-pratidin

অভিনয় থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন মিশা

নায়ক-নায়িকার চেয়ে কোনো অংশেই কম জনপ্রিয় নন মিশা। এখনো দর্শকরা তার অভিনয় উপভোগ করছেন। নতুনভাবেই আবিষ্কার করছেন নিজেকে। এখন তিনি সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক নেয়া খলঅভিনেতা। আর ক্যারিয়ারের এমন ভালো সময়েই কিনা বিদায় নিতে চান মিশা সওদাগর।

ঢালিউডের গুণী এই বলেন, সাড়ে ৮০০ থেকে ৯০০ সিনেমায় অভিনয় করেছি। দর্শকদের প্রচুর ভালোবাসা পেয়েছি। আল্লাহতালার রহমতে ও আপনাদের ভালোবাসায় আমাকে নিয়ে সংবাদের কোনো কমতি নেই। অনেক তো হলো এবার অবসর নিতে চাই।

তবে কেন বিদায়ের কথা আসছে। জবাবে মিশা বলেন, দর্শকরা আমাকে ভালোবাসেন এটাই সবচে’ বড় অর্জন। আমার মনে হয় এরকম অবস্থায় বিদায় নিতে ভালোবাসাটা সাড়া জীবন রয়েই যাবে।

মিশা সওদাগর চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন ১৯৮৬ সালে। এফডিসি আয়োজিত নতুন মুখ কার্যক্রমে নির্বাচিত হন তিনি। ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘চেতনা’ ছবিতে নায়ক হিসেবে অভিনয় করেন ১৯৯০ সালে। ১৯৯৪ সালে ‘যাচ্ছে ভালোবাসা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথম খলনায়ক হিসেবে পর্দায় উপস্থিত হন মিশা। দীর্ঘ ২৭ বছরের অভিনয় জীবনে খল চরিত্রে নিজেকে কিংবদন্তি হিসেবেই তুলে ধরেছেন তিনি।

সুত্রঃ http://www.breakingnews.com.bd/bangla/entertainment/33890.online

বড় পর্দায় হিরো আলমের অভিষেক

ব্যতিক্রমী সব মিউজিক ভিডিও বানিয়ে আলোচনায় আসেন বগুড়ার ছেলে হিরো আলম। এবার বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে তার। ছবির নাম ‘মার ছক্কা’। বিষয়টি হয়তো হিরো আলম ভক্তরা বিশ্বাস করতে চাইবেন না। সিনেমার কাজ শেষ হয়ে গেছে। হিরো আলম এখন বড় পর্দায় নিজের অভিষেকের বিষয়ে অপেক্ষার প্রহর গুণছেন। অথচ হিরো আলম নিজেও বিষয়টি বিশ্বাস করতে পারছেন না। বড় পর্দায় অভিষেক বলে কথা!

হিরো আলম বলেন, এটি আমার প্রথম চলচ্চিত্র। আমি কখনও কল্পনা করিনি যে আমি চলচ্চিত্রে কাজ করার সুযোগ পাব। এজন্য সত্যিই নির্মাতার কাছে কৃতজ্ঞ। আশা করি সবাই এই সিনেমাটি হলে গিয়ে দেখবেন।

‘মার ছক্কা’ ছবিটি পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন পরিচালক মঈন বিশ্বাস। এতে আরও অভিনয় করেছেন রোহান, কোয়েল, ওমর সানী, অরুনা বিশ্বাস, আলেকজান্ডার বো, সাদেক বাচ্চু, রাবিনা বৃষ্টি, তন্দ্রা প্রাবন, জাদু আজাদ, জোবায়ের, জ্যোতি, তনু পান্ডে প্রমুখ।

ছবিটির শ্যুটিংয়ে সময় তোলা একটি ছবি সম্প্রতি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন হিরো আলম। সেখানে পুলিশ কর্মকর্তারূপী এক অভিনেতার সঙ্গে সঙ্গে দেখা গেছে হিরো আলমকে। ছবির সঙ্গে হিরো আলম লিখেছেন, ‘ছবির শ্যুটিংয়ের সময় তোলা। এই পুলিশ হিরো আলমকে গ্রেফতার করতে এসেছিল। আমি তাকে খুব ভালোভাবেই মেরেছি। জ্যাকি চ্যানও এই লেবেলের মারপিট করতে পারবে না। ‘
source: bd-pratidin

তাহসান-মিথিলার বিচ্ছেদের নেপথ্যে

দাম্পত্য জীবনের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটিয়েছেন সেলিব্রিটি জুটি তাহসান-মিথিলা। কিন্তু অফুরন্ত ভালোবাসার কাছে সেই বিচ্ছেদ একেবারেই নগণ্য। গল্পটা এক যুগ আগের। ২০০৪ সাল। ভালোবাসা দিবস এলেই বাড়ির দরজায় ফুল রেখে এসে মিথিলাকে ফোন করতেন তাহসান। তখন দু’জনই শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন তাহসান। সে সময় মিথিলার সঙ্গে পরিচয়।

মিথিলার এক বন্ধু তার ছোট ভাইয়ের জন্য তাহসানের অটোগ্রাফ নিতে যাওয়ার সময় মিথিলাকে সঙ্গে নিয়ে যান তাহসানের বাড়িতে। ওই সময় মিথিলা তাহসানের কিছু গান শুনলেও ভক্ত হননি। সেই প্রথম পরিচয় তাদের। সে থেকে প্রেম।

এ সম্পর্কেই ২০০৪-০৬ সাল পর্যন্ত কেটে যায়। পরে মিথিলার জন্য গান লিখেন তাহসান। তার সুরে গান গাইলেন মিথিলা। গান গাওয়ার মধ্য দিয়েই দুটি জীবন এক সুতোয় বাঁধা পড়ে। প্রেমের দুই বছর তাদের মধ্যে ঝগড়া কিংবা খুনসুটিও হতো না তেমন। ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট প্রেমের সম্পর্কের ইতি টেনে বিয়ে করেন তারা। সংসারে যোগ হয় আইরা তাহরিম নামে তাদের একমাত্র কন্যা।

মান-অভিমান ঝগড়া মানুষের জীবনেরই একটি অংশ। জীবনে ভালো কিংবা খারাপ সময় আসবে এটাই স্বাভাবিক। এমন মানসিকতায় বিশ্বাসী তাহসান। বিয়ের পর রিল ও রিয়েল লাইফের সফল জুটির উদাহরণ হয়েই কাজ করেন তাহসান-মিথিলা।

তারপরও এর মাঝেই লুকিয়ে ছিল দূরত্বের বীজ। কয়েক মাস ধরে তেমনই ইঙ্গিত ভাসছিল মিডিয়ায়। তখন সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর না পাওয়া গেলেও অবশেষে দু’জনে একসঙ্গে জানালেন ডিভোর্সে যাচ্ছেন। কারণ হিসেবে ওঠে এসেছে মীমাংসার অযোগ্য দ্বন্দ্ব!

দীর্ঘ ১১ বছরের সংসারের ইতি টানেন তাহসান-মিথিলা। এ নিয়ে মিডিয়াপাড়ায় নানা গুজব থাকলেও অবশ্য তারা কেউ কাউকে দোষারোপ করছেন না এখনও।

জানা গেছে, চলতি বছরের মে মাসে তাহসান ও মিথিলার বিবাহ বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। তারা চাইছিলেন আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেরাই সংবাদমাধ্যমকে নিজেদের বিচ্ছেদের খবর জানাবেন।

কিন্তু এর আগেই সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে খবর প্রকাশ করা হলে ফেসবুকে যৌথ বিবৃতিতে বিচ্ছেদের খবরটি স্বীকার করে নেন তারা।

তাহসানের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে, এ জুটির আবার এক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ দুই বছর আলাদা থাকার সময়ে ঘনিষ্ঠরা মিলে অনেক চেষ্টা চালিয়েছেন তাদের এক করার জন্য। সবার সব চেষ্টা ব্যর্থ করে তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

কিন্তু এ বিচ্ছেদের নেপথ্যের কারণ কী? এমন প্রশ্ন কেন্দ্র করে নানা রকম গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। অনেকেই আবার এর পেছনে কারণ হিসেবে পারস্পরিক বোঝাপড়া কমে যাওয়া ও দু’জনের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা আলাদা হওয়াকে দায়ী করেছেন।

তবে মিথিলার একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা গেছে, মূল ঘটনার সূত্রপাত বছর দুয়েক আগে। ঝগড়ার একপর্যায়ে মিথিলার গায়ে হাত তুলেন তাহসান। ঝগড়া শুরু হয়েছিল নারী ভক্তদের সঙ্গে তাহসানের মেলামেশা নিয়ে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রটির দাবি, তাহসান কোনো নারী ভক্তের সঙ্গে প্রেম বা অন্য কোনো সম্পর্কে না জড়ালেও কেউ দেখা করতে চাইলে একা গিয়ে দেখা করতেন। এমনকি বিভিন্ন সময়ে নাটকের সেট থেকে নায়িকাদের নিয়ে লং ড্রাইভে যেতেন। এ নিয়ে মিথিলা আপত্তি তুললেও তাহসান গ্রাহ্য করেননি। এক সময় তা তাদের নিয়মিত ঝগড়ার বিষয়ে পরিণত হয়।

সর্বশেষ দু’বছর আগে গায়ে হাত তোলার পর থেকে মিথিলা ও তাহসান আলাদা থাকতে শুরু করেন। এদিকে, তাহসান এক মডেল ও অভিনেত্রীর প্রেমে পড়ার গুঞ্জনও রটেছে ইতিমধ্যে। কিন্তু কে এ মডেল সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে কোনো তথ্য দেননি কেউই।

তবে লাক্স তারকা বিদ্যা সিনহা মিমকে জড়িয়ে একাধিক সংবাদ মাধ্যম প্রেমের গুঞ্জন রটিয়েছে। যদিও এ ব্যপারে বেশ বিব্রত মীম। তার সঙ্গে তাহসানের সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পেশাদারিত্বের সম্পর্ক দারুণ, কিন্তু আমার সঙ্গে প্রেমের কারণে তার সংসার ভেঙেছে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতেই আমি বিব্রতবোধ করছি।’

বিষয়টি নিয়ে তাহসানের সঙ্গে কথা বলতে চেয়ে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের আইডিও ডিএক্টভেট করে রেখেছেন তিনি। পরে জানা গেছে তিনি এখন দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

এদিকে অন্য এক সূত্রে জানা গেছে, মিথিলার জীবনযাপন নিয়েও অভিযোগ ছিল তাহসানের। তিনি চাইতেন বাইরে সময় কম দিয়ে পরিবারেই যেন সময় দেন মিথিলা। কিন্তু তা মেনে নিতে নারাজ এ অভিনেত্রী। ক্যারিয়ারে বেশি মনোযোগী এবং অন্য এক সঙ্গীতশিল্পীর সঙ্গে নাকি প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন মিথিলা। আর সে থেকেই অবিশ্বাসের সূত্রপাত।

বিষয়টি জানতে মিথিলাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও কোনো রকম সদুত্তর পাওয়া যায়নি। কোনো প্রমাণ না মিললেও এর আগে একাধিকবার তার প্রেমের গুঞ্জন চাউর হয়েছিল।

তাহসান-মিথিলার এমন রহস্যজনক নীরবতা এখন অনেকটাই কৌতূহলের জন্ম দিচ্ছে ভক্তমহলে। অনেকেই বলছেন যা রটে তা কিছু তো বটে! তবে কি সত্যি নতুন কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন তারা?
source: jugantor

1 2 3