Entertainment

বলিউডে অভিষেক হচ্ছে অভিনেত্রী জাকিয়া বারি মমর

ছোট পর্দার নিয়মিত অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম। ইতোমধ্যে কয়েকটি চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন তিনি। তবে এবার দেশের গণ্ডি পেরিয়ে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে দেখা যাবে বলিউডের হিন্দি ছবিতে। এখনও নাম চূড়ান্ত হয়নি। ছবিটি পরিচালনা করবেন ফয়সাল সাইফ। আজ শনিবার সকালে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফয়সাল সাইফ বলেন, নারীকেন্দ্রিক আমার নতুন এই ছবিতে বাংলাদেশের জাকিয়া বারী মমকে নিচ্ছি আমি। ডার্ক থ্রিলার ধাঁচের গল্পটিতে বলতে গেলে ছবির মূল নায়ক বা নায়িকা বলতে মমই। কারণ তাকে ঘিরেই ছবির মূল কাহিনী সাজানো।

আগামী ৭ সেপ্টেম্বর এ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার জন্য ভারতে যাচ্ছেন মম। নভেম্বরে কাজ শুরু করার ইচ্ছা রয়েছে পরিচালকের। বলিউডের ফিল্মে অভিনয়ের এই সুযোগকে সম্ভবনা হিসেবে দেখছেন মম। তার মতে, “আমাদের অনেক শ্রদ্ধেয় লিজেন্ড অভিনেতা-অভিনেত্রী বড়পরিসরে কাজ করে এসেছেন। আমি যেন তাদের মান রাখতে পারি সেটাই কামনা করছি।”

প্রসঙ্গত, ফয়সাল সাইফের ছবিতে কাজ করতে যাওয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশি মম। এর আগে, এই পরিচালকের একটি ছবিতে গত বছর কাজ করেছেন আরেক বাংলাদেশি নিবর।

মমর অভিনীত ছবি গুলো হল, তৌকীর আহমেদের ‘দারুচিনি দ্বীপ’, রকিবুল আলম রকিবের ‘প্রেম করবো তোমার সাথে’ ও শিহাব শাহীনের ‘ছুঁয়ে দিলে মন’ ছবিগুলো মুক্তি পায়। মুক্তির অপেক্ষায় আছে তানিম রহমান অংশু পরিচালিত ‘স্বপ্নবাড়ি’।

নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক মারা গেছেন। (ইন্নালিল্লাহি—–রাজেউন।) সোমবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সোয়া ৬ টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি কোলকাতার টালিগঞ্জের মোল্লাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন রাজ্জাক।

তার বাবা আকবর হোসেন এবং মা মিনারুন্নেসা। তিনি বাবা-মায়ের ছোট ছেলে। খুব অল্প বয়স থেকেই অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন তিনি।

কোলকাতার খানপুর হাইস্কুলে যখন তিনি সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সেই সময়ে তার গেম টিচার রবীন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তাকে মঞ্চ নাটকে অভিনয়ের জন্য বেছে নেন। নাটকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। শিশু-কিশোরদের নিয়ে লেখা নাটক বিদ্রোহীতে গ্রামীণ কিশোর চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়েই নায়ক রাজের অভিনয়ে সম্পৃক্ততা। তিনি ১৯৫৯ সালে বম্বে ফিল্মালয়ে ভর্তি হন। এই সময়ে তিনি পংকতিলক এবং শিলালিপি নামের দুটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

১৯৬২ সালের ২ মার্চ টালিগঞ্জে খায়রুন্নেসাকে বিয়ে করেন রাজ্জাক। বিয়ের পরপরই রাজ্জাকের জীবনে একের পর এক সাফল্য আসতে থাকে । নায়করাজ তখন থেকেই ভালোবেসে স্ত্রীকে লক্ষ্মী বলে ডাকতে শুরু করেন এবং এখনো লক্ষ্মী নামেই ডাকেন। নিজের প্রতিটি কাজের সঙ্গেই নিজের স্ত্রীর নাম যুক্ত রেখেছেন তিনি। যেমন তার বাড়ির নাম ‘ লক্ষ্মীকুঞ্জ’, প্রযোজনা সংস্থা ‘রাজলক্ষ্মী প্রোডাকশন’।

এছাড়া তিনি ১৯৮৪ সালে ঢাকার উত্তরায় গড়ে তোলেন একটি শপিংমল যার নাম দেন ‘রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্স’।

নায়ক রাজের ৩ ছেলে এবং ২ মেয়ে। তার বড় মেয়ে থ্যালাসেমিয়ায় মারা গেছেন। বড় ছেলে বাপ্পারাজ ও ছোট ছেলে সম্রাটও অভিনয় করেন। ১৯৬৪ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হলে রাজ্জাক স্ত্রী এবং পুত্র বাপ্পাকে নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন।

সুত্রঃ http://www.breakingnews.com.bd/bangla/entertainment/35145.online

কেন বিয়ে করেননি সালমান?

শুধু আর খবর বা গসিপে আটকে নেই ব্যাপারটা। সিনেমার পর্দাতেও এ খবর নিয়ে ভরা কোর্টে সওয়ালও করেছেন অক্ষয় কুমার।

সারাদেশ জানতে চায়, কবে বিয়ে করছেন সালমান খান? আদৌ কি আর বিয়ে করবেন তিনি! কে না জানতে চায় সালমানের লাভ লাইফ নিয়ে। কোনও এক নারীর সঙ্গে তাকে দেখা গেলেই শুরু হয়ে যায় জল্পনা। তাহলে এনার প্রেমেই কি হাবুডুবু খাচ্ছেন সল্লু মিঞা?
তাহলে কি এবছরই বসছেন বিয়ের পিঁড়িতে? কিছুদিন আগেই শোনা যায়, সালমানের বিয়ে হতে চলেছে এ বছরের শেষে, ১৮ নভেম্বর। কিন্তু সে জল্পনাতেও জল ঢেলেছেন তিনি নিজেই। কিন্তু এতদিনে জানা গেল কেন বিয়ে করছেন না বলিউডের এই মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর।

খুব শিগগিরই আসতে চলেছে ছোট পর্দার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস সিজন ইলেভেন’। আবারও সঞ্চালকের আসনে সালমান খান। এ বছরের থিম প্রতিবেশী। শুক্রবার প্রকাশিত হলো- এই শো-এর প্রথম টিজার। আর সেই টিজারেও সালমানকে বিয়ে করে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে তার প্রতিবেশী। কিন্তু সালমানের সাফ জবাব এখনও তার বিয়ের সময় হয়নি।

বিয়ে করার কোন তাড়াও নেই তার। টিজারে প্রথমেই দেখা যায় সালমান সিঙ্গল। নিজেই নিজের সমস্ত কাজ করে নিচ্ছেন তিনি। আর সেখান থেকেই ঘটছে যাবতীয় বিপত্তি। বিপত্তি থেকে মুক্তি পেতে সালমনাকে বিয়ে করে নিতে বলছেন প্রতিবেশী বৌদি। তবে সালমান কিছুতেই রাজি নন।

তবে সালমান রাজি হন আর নাই হন এই ভিডিও থেকে একটা তথ্য পরিষ্কার। বিগ বসের এই নয়া মৌসুমে কেবল ঘরের লোকেদের মধ্যে প্রেম, ঝগড়া, মারপিট হবে না, এবার ঘরে এক্সট্রা মশালা জোগাবেন বাইরে কিছু প্রতিবেশীও।

সুত্রঃ bd-pratidin

অভিনয় থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন মিশা

নায়ক-নায়িকার চেয়ে কোনো অংশেই কম জনপ্রিয় নন মিশা। এখনো দর্শকরা তার অভিনয় উপভোগ করছেন। নতুনভাবেই আবিষ্কার করছেন নিজেকে। এখন তিনি সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক নেয়া খলঅভিনেতা। আর ক্যারিয়ারের এমন ভালো সময়েই কিনা বিদায় নিতে চান মিশা সওদাগর।

ঢালিউডের গুণী এই বলেন, সাড়ে ৮০০ থেকে ৯০০ সিনেমায় অভিনয় করেছি। দর্শকদের প্রচুর ভালোবাসা পেয়েছি। আল্লাহতালার রহমতে ও আপনাদের ভালোবাসায় আমাকে নিয়ে সংবাদের কোনো কমতি নেই। অনেক তো হলো এবার অবসর নিতে চাই।

তবে কেন বিদায়ের কথা আসছে। জবাবে মিশা বলেন, দর্শকরা আমাকে ভালোবাসেন এটাই সবচে’ বড় অর্জন। আমার মনে হয় এরকম অবস্থায় বিদায় নিতে ভালোবাসাটা সাড়া জীবন রয়েই যাবে।

মিশা সওদাগর চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন ১৯৮৬ সালে। এফডিসি আয়োজিত নতুন মুখ কার্যক্রমে নির্বাচিত হন তিনি। ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘চেতনা’ ছবিতে নায়ক হিসেবে অভিনয় করেন ১৯৯০ সালে। ১৯৯৪ সালে ‘যাচ্ছে ভালোবাসা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথম খলনায়ক হিসেবে পর্দায় উপস্থিত হন মিশা। দীর্ঘ ২৭ বছরের অভিনয় জীবনে খল চরিত্রে নিজেকে কিংবদন্তি হিসেবেই তুলে ধরেছেন তিনি।

সুত্রঃ http://www.breakingnews.com.bd/bangla/entertainment/33890.online

বড় পর্দায় হিরো আলমের অভিষেক

ব্যতিক্রমী সব মিউজিক ভিডিও বানিয়ে আলোচনায় আসেন বগুড়ার ছেলে হিরো আলম। এবার বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে তার। ছবির নাম ‘মার ছক্কা’। বিষয়টি হয়তো হিরো আলম ভক্তরা বিশ্বাস করতে চাইবেন না। সিনেমার কাজ শেষ হয়ে গেছে। হিরো আলম এখন বড় পর্দায় নিজের অভিষেকের বিষয়ে অপেক্ষার প্রহর গুণছেন। অথচ হিরো আলম নিজেও বিষয়টি বিশ্বাস করতে পারছেন না। বড় পর্দায় অভিষেক বলে কথা!

হিরো আলম বলেন, এটি আমার প্রথম চলচ্চিত্র। আমি কখনও কল্পনা করিনি যে আমি চলচ্চিত্রে কাজ করার সুযোগ পাব। এজন্য সত্যিই নির্মাতার কাছে কৃতজ্ঞ। আশা করি সবাই এই সিনেমাটি হলে গিয়ে দেখবেন।

‘মার ছক্কা’ ছবিটি পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন পরিচালক মঈন বিশ্বাস। এতে আরও অভিনয় করেছেন রোহান, কোয়েল, ওমর সানী, অরুনা বিশ্বাস, আলেকজান্ডার বো, সাদেক বাচ্চু, রাবিনা বৃষ্টি, তন্দ্রা প্রাবন, জাদু আজাদ, জোবায়ের, জ্যোতি, তনু পান্ডে প্রমুখ।

ছবিটির শ্যুটিংয়ে সময় তোলা একটি ছবি সম্প্রতি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন হিরো আলম। সেখানে পুলিশ কর্মকর্তারূপী এক অভিনেতার সঙ্গে সঙ্গে দেখা গেছে হিরো আলমকে। ছবির সঙ্গে হিরো আলম লিখেছেন, ‘ছবির শ্যুটিংয়ের সময় তোলা। এই পুলিশ হিরো আলমকে গ্রেফতার করতে এসেছিল। আমি তাকে খুব ভালোভাবেই মেরেছি। জ্যাকি চ্যানও এই লেবেলের মারপিট করতে পারবে না। ‘
source: bd-pratidin

তাহসান-মিথিলার বিচ্ছেদের নেপথ্যে

দাম্পত্য জীবনের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটিয়েছেন সেলিব্রিটি জুটি তাহসান-মিথিলা। কিন্তু অফুরন্ত ভালোবাসার কাছে সেই বিচ্ছেদ একেবারেই নগণ্য। গল্পটা এক যুগ আগের। ২০০৪ সাল। ভালোবাসা দিবস এলেই বাড়ির দরজায় ফুল রেখে এসে মিথিলাকে ফোন করতেন তাহসান। তখন দু’জনই শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন তাহসান। সে সময় মিথিলার সঙ্গে পরিচয়।

মিথিলার এক বন্ধু তার ছোট ভাইয়ের জন্য তাহসানের অটোগ্রাফ নিতে যাওয়ার সময় মিথিলাকে সঙ্গে নিয়ে যান তাহসানের বাড়িতে। ওই সময় মিথিলা তাহসানের কিছু গান শুনলেও ভক্ত হননি। সেই প্রথম পরিচয় তাদের। সে থেকে প্রেম।

এ সম্পর্কেই ২০০৪-০৬ সাল পর্যন্ত কেটে যায়। পরে মিথিলার জন্য গান লিখেন তাহসান। তার সুরে গান গাইলেন মিথিলা। গান গাওয়ার মধ্য দিয়েই দুটি জীবন এক সুতোয় বাঁধা পড়ে। প্রেমের দুই বছর তাদের মধ্যে ঝগড়া কিংবা খুনসুটিও হতো না তেমন। ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট প্রেমের সম্পর্কের ইতি টেনে বিয়ে করেন তারা। সংসারে যোগ হয় আইরা তাহরিম নামে তাদের একমাত্র কন্যা।

মান-অভিমান ঝগড়া মানুষের জীবনেরই একটি অংশ। জীবনে ভালো কিংবা খারাপ সময় আসবে এটাই স্বাভাবিক। এমন মানসিকতায় বিশ্বাসী তাহসান। বিয়ের পর রিল ও রিয়েল লাইফের সফল জুটির উদাহরণ হয়েই কাজ করেন তাহসান-মিথিলা।

তারপরও এর মাঝেই লুকিয়ে ছিল দূরত্বের বীজ। কয়েক মাস ধরে তেমনই ইঙ্গিত ভাসছিল মিডিয়ায়। তখন সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর না পাওয়া গেলেও অবশেষে দু’জনে একসঙ্গে জানালেন ডিভোর্সে যাচ্ছেন। কারণ হিসেবে ওঠে এসেছে মীমাংসার অযোগ্য দ্বন্দ্ব!

দীর্ঘ ১১ বছরের সংসারের ইতি টানেন তাহসান-মিথিলা। এ নিয়ে মিডিয়াপাড়ায় নানা গুজব থাকলেও অবশ্য তারা কেউ কাউকে দোষারোপ করছেন না এখনও।

জানা গেছে, চলতি বছরের মে মাসে তাহসান ও মিথিলার বিবাহ বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। তারা চাইছিলেন আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেরাই সংবাদমাধ্যমকে নিজেদের বিচ্ছেদের খবর জানাবেন।

কিন্তু এর আগেই সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে খবর প্রকাশ করা হলে ফেসবুকে যৌথ বিবৃতিতে বিচ্ছেদের খবরটি স্বীকার করে নেন তারা।

তাহসানের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে, এ জুটির আবার এক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ দুই বছর আলাদা থাকার সময়ে ঘনিষ্ঠরা মিলে অনেক চেষ্টা চালিয়েছেন তাদের এক করার জন্য। সবার সব চেষ্টা ব্যর্থ করে তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

কিন্তু এ বিচ্ছেদের নেপথ্যের কারণ কী? এমন প্রশ্ন কেন্দ্র করে নানা রকম গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। অনেকেই আবার এর পেছনে কারণ হিসেবে পারস্পরিক বোঝাপড়া কমে যাওয়া ও দু’জনের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা আলাদা হওয়াকে দায়ী করেছেন।

তবে মিথিলার একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা গেছে, মূল ঘটনার সূত্রপাত বছর দুয়েক আগে। ঝগড়ার একপর্যায়ে মিথিলার গায়ে হাত তুলেন তাহসান। ঝগড়া শুরু হয়েছিল নারী ভক্তদের সঙ্গে তাহসানের মেলামেশা নিয়ে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রটির দাবি, তাহসান কোনো নারী ভক্তের সঙ্গে প্রেম বা অন্য কোনো সম্পর্কে না জড়ালেও কেউ দেখা করতে চাইলে একা গিয়ে দেখা করতেন। এমনকি বিভিন্ন সময়ে নাটকের সেট থেকে নায়িকাদের নিয়ে লং ড্রাইভে যেতেন। এ নিয়ে মিথিলা আপত্তি তুললেও তাহসান গ্রাহ্য করেননি। এক সময় তা তাদের নিয়মিত ঝগড়ার বিষয়ে পরিণত হয়।

সর্বশেষ দু’বছর আগে গায়ে হাত তোলার পর থেকে মিথিলা ও তাহসান আলাদা থাকতে শুরু করেন। এদিকে, তাহসান এক মডেল ও অভিনেত্রীর প্রেমে পড়ার গুঞ্জনও রটেছে ইতিমধ্যে। কিন্তু কে এ মডেল সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে কোনো তথ্য দেননি কেউই।

তবে লাক্স তারকা বিদ্যা সিনহা মিমকে জড়িয়ে একাধিক সংবাদ মাধ্যম প্রেমের গুঞ্জন রটিয়েছে। যদিও এ ব্যপারে বেশ বিব্রত মীম। তার সঙ্গে তাহসানের সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পেশাদারিত্বের সম্পর্ক দারুণ, কিন্তু আমার সঙ্গে প্রেমের কারণে তার সংসার ভেঙেছে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতেই আমি বিব্রতবোধ করছি।’

বিষয়টি নিয়ে তাহসানের সঙ্গে কথা বলতে চেয়ে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের আইডিও ডিএক্টভেট করে রেখেছেন তিনি। পরে জানা গেছে তিনি এখন দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

এদিকে অন্য এক সূত্রে জানা গেছে, মিথিলার জীবনযাপন নিয়েও অভিযোগ ছিল তাহসানের। তিনি চাইতেন বাইরে সময় কম দিয়ে পরিবারেই যেন সময় দেন মিথিলা। কিন্তু তা মেনে নিতে নারাজ এ অভিনেত্রী। ক্যারিয়ারে বেশি মনোযোগী এবং অন্য এক সঙ্গীতশিল্পীর সঙ্গে নাকি প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন মিথিলা। আর সে থেকেই অবিশ্বাসের সূত্রপাত।

বিষয়টি জানতে মিথিলাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও কোনো রকম সদুত্তর পাওয়া যায়নি। কোনো প্রমাণ না মিললেও এর আগে একাধিকবার তার প্রেমের গুঞ্জন চাউর হয়েছিল।

তাহসান-মিথিলার এমন রহস্যজনক নীরবতা এখন অনেকটাই কৌতূহলের জন্ম দিচ্ছে ভক্তমহলে। অনেকেই বলছেন যা রটে তা কিছু তো বটে! তবে কি সত্যি নতুন কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন তারা?
source: jugantor

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার যাঁরা পেলেন

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৫-তে আজীবন সম্মাননা পেলেন চিত্রনায়িকা আফরোজা সুলতানা রত্না শাবানা ও সংগীতশিল্পী ফেরদৌসী রহমান। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে (বিআইসিসি) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৫ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২৫টি ক্যাটাগরিতে ৩১ জন শিল্পী ও কলাকুশলীকে পুরস্কার দেওয়া হয়। যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে রিয়াজুল মাওলা রিজু পরিচালিত ‘বাপজানের বায়োস্কোপ’ এবং মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত ‘অনিল বাগচীর একদিন’।

শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্যচিত্রের পুরস্কার পেয়েছেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের ‘একাত্তরের গণহত্যা ও বধ্যভূমি’। যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার পেয়েছেন মো. রিয়াজুল মাওলা রিজু (বাপজানের বায়োস্কোপ) ও মোরশেদুল ইসলাম (অনিল বাগচীর একদিন)।

যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন শাকিব খান ‘আরও ভালোবাসব তোমায়’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য এবং মাহফুজ আহমেদ ‘জিরো ডিগ্রি’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য। শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন জয়া আহসান ‘জিরো ডিগ্রি’ সিনেমার জন্য।

পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন গাজী রাকায়েত (অনিল বাগচীর একদিন)। পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন তমা মির্জা। খলনায়ক চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন ইরেশ যাকের (ছুঁয়ে দিল মন)। শ্রেষ্ঠ শিশু অভিনেতা যারা যারিব ও শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী হিসেবে বিশেষ পুরস্কার পেয়েছে প্রমিয়া রহমান (প্রার্থনা)।

এ ছাড়া আরও পুরস্কার পেয়েছেন শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক সানী জুবায়ের (অনিল বাগচীর একদিন), শ্রেষ্ঠ গায়ক শিল্পী সুবীর নন্দী (মহুয়া সুন্দরী) ও এস আই টুটুল (বাপজানের বায়োস্কোপ), শ্রেষ্ঠ গায়িকা (নারী) প্রিয়াংকা গোপ (অনিল বাগচীর একদিন), শ্রেষ্ঠ গীতিকার আমিরুল ইসলাম (বাপজানের বায়োস্কোপ), শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার মাসুম রেজা (বাপজানের বায়োস্কোপ), যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার মাসুম রেজা ও মো. রিয়াজুল মাওলা রিজু (বাপজানের বায়োস্কোপ), শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা হ‌ুমায়ূন আহমেদ (অনিল বাগচীর একদিন), শ্রেষ্ঠ সম্পাদক মেহেদী রনি (বাপজানের বায়োস্কোপ), শ্রেষ্ঠ শিল্পনির্দেশক সামুরাই মারুফ (জিরো ডিগ্রি), শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খান (পদ্মপাতার জল), শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক রতন কুমার পাল (জিরো ডিগ্রি), শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা মুসকান সুমাইয়া ও শ্রেষ্ঠ মেকআপম্যান হিসেবে শফিক (জালালের গল্প)।

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ফেরদৌসী রহমানের পক্ষে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার গ্রহণ করেন তাঁর ছেলের বউ সৈয়দা সাদিয়া আমিন এবং হ‌ুমায়ূন আহমেদের পক্ষে শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতার পুরস্কার গ্রহণ করেন তাঁর স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন।
source: prothom-alo

কিডনিতে অটোগ্রাফ চাইলেন ভক্ত!

তারকাদের অনেক অন্ধভক্ত থাকেন। কেউ কেউ এই ভক্তদের কারণে বিড়ম্বনায় পড়েছেন, এমন নজিরও আছে। ভক্তদের ইচ্ছা থাকে প্রিয় তারকার মনোযোগ প্রাপ্তি। কিন্তু মনোযোগ পেতে গিয়ে কেউ কেউ অনেক সময় একটু বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেন। সম্প্রতি বলিউড অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুরের এমন এক ভক্তের সন্ধান পাওয়া গেছে। রইস বাদশাহ নামের এক ব্যক্তি তাঁর কিডনিতে শ্রদ্ধা কাপুরের অটোগ্রাফ চেয়েছেন। বুদ্ধিমতী শ্রদ্ধা অবশ্য বেশ কৌশলে বিষয়টি সামলে নিয়েছেন।

আগামী মাসে মুক্তি পাবে শ্রদ্ধা কাপুরের ছবি ‘হাসিনা পার্কার’। এই ছবির প্রচারণার অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার টুইটারে শ্রদ্ধা তাঁর ভক্তদের জন্য প্রশ্ন-উত্তর পর্বের আয়োজন করেছিলেন। সেখানেই রইস নামের সেই ভক্ত শ্রদ্ধার উদ্দেশে লেখেন, ‘আমার বাঁ কিডনিতে আপনার অটোগ্রাফ চাই। কারণ, আমি আপনার বিশাল এক ভক্ত।’ জবাবে ‘আশিকী ২’ অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘ওরে বাপরে। না। দয়া করে কাগজে অটোগ্রাফ নিন।’

এর আগে, টেলিভিশনের একটি অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধা তাঁর অন্য এক ভক্তের সঙ্গে আরেক কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। এ অভিনেত্রীর এক পাগল ভক্ত অনবরত তাঁকে অনুসরণ করছিলেন। শ্রদ্ধা যেকোনো অনুষ্ঠানে গেলে পিছে পিছে সেই ভক্তও হাজির হতেন। তো, টিভি অনুষ্ঠানের সেটে ছেলেটিকে দেখেই চিনে ফেলেন শ্রদ্ধা। পরে তাঁকে ডেকে অনুসরণ করার কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি অকপটে তা স্বীকার করেন। শ্রদ্ধা তখন তাঁর এই ভক্তকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আলিঙ্গন করেছিলেন। এ ঘটনার জন্য অবশ্য বেশ সমালোচিত হতে হয়েছিল ‘বাগি’ তারকাকে।

সমালোচকেরা শ্রদ্ধার এই কাণ্ডকে অপরিপক্ব ও বোকামি হিসেবেই অভিহিত করেছিলেন তখন। তাঁদের যুক্তি, তারকাদের কাছ থেকে এভাবে আশকারা পেলে অনেকেই অপরাধ বাড়িয়ে দিতে পারে। পরে অবশ্য শ্রদ্ধা নিজের ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চেয়েছিলেন।
source: prothom-alo

‘বাহুবলী’কে টেক্কা দিতে আসছে ‘তানাজি’

‘বাহুবলী’কে টেক্কা দিতে আসছে ‘তানাজি’। সম্প্রতি পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই ছবিটি নিয়ে টুইটারে উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা এমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। মারাঠি ইতিহাসের উজ্জ্বল নাম তানাজি মালুসারে। প্রায় সাড়ে তিনশো বছর আগে সিনহাগাদের যুদ্ধে তার প্রবল সাহসীকতার কথা আজও কিংবদন্তি হয়ে আছে। সেই বীর যোদ্ধাকে এবার রুপালি পর্দায় নিয়ে আসছেন অজয় দেবগণ।

একদিকে কিংবদন্তি তানাজি, অপরদিকে অজয়ের মতো জনপ্রিয় অভিনেতা। দুয়ে মিলে তৈরি হয়েছে তুমুল উচ্চাশা। ইতোমধ্যেই এই ছবির পোস্টারে দেখা যাচ্ছে একটি ঢালের সাহায্যে আত্মরক্ষা করছেন ‘তানাজি’-বেশী অজয়। তার ঢালে এসে ঠিকরে যাচ্ছে অসংখ্য তির। এরপরই টুইটারে ‘সুপার্ব’, ‘ইনটেন্স’ ইত্যাদি প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সকলে। তবে সেরা কমেন্টটি নিঃসন্দেহে করেছেন একজন। যিনি বলেছেন, ‘‘বাহুবলী কে? আমি কেবল তানাজিকে চিনি। ’’

প্রসঙ্গত বাহুবলীর তুমুল সাফল্যের পরে রাজারাজরা, তরবারি, ধনুক, তিরের আকর্ষণ বেড়ে গিয়েছে দর্শকদের কাছে। তবে বাহুবলী নিছকই কাল্পনিক চরিত্র। সেই জায়গায় তানাজি কিন্তু ঐতিহাসিক চরিত্র। তাই তার আবেদন এক অন্য মাত্রায় দর্শকদের কাছে পৌঁছবে এ কথা বলাই যায়।

তবে ‘বাহুবলী’-এর দুইটি ছবি যে ইতিহাস রচনা করেছে তাকে ছোঁয়া মোটেই সহজ হবে না কোনও ছবির পক্ষেই। কিন্তু সব সময়ই সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাজকে যে মাথায় রেখে স্বপ্ন রচিত হবে, সেও তো জানা কথাই। তাই দর্শকরা আশা করতেই পারেন, এই ছবি নতুন কোনও কীর্তি রচনা করবে। তবে ‘তানাজি’ সে আশা পূরণ করতে পারবে কি না, সেটা জানতে অবশ্য অপেক্ষা করতে হবে। ওম রাউতের পরিচালনায় এই ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা ২০১৯ সালে।

কোরবানি ঈদে হাফ ডজন ছবি

ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া ছবিগুলোর রেশ এখনও কাটেনি। হলে হলে এখনও ছবিগুলো দেখতে দর্শকদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। তবে নির্মাতা ও অভিনয় শিল্পীরা কিন্তু চলে যাওয়া ঈদে আটকে নেই। তারা এরই মধ্যে ব্যস্ত ঈদুল আজহার ছবি মুক্তি নিয়ে।

আগামী ঈদে কয়টি ছবি মুক্তি পাবে এর নিশ্চিত হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি। তবে সম্ভাব্য কয়েকটি ছবি নিয়ে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে আলোচনা। ছবিগুলো হচ্ছে- ‌‘রংবাজ’, ‘অহংকার’, ‘মনে রেখো’। তালিকায় আছে কলকাতার রাজীব বিশ্বাস পরিচালিত নাম চূড়ান্ত না হওয়া একটি যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ছবি এবং যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘নূর জাহান’ নামের আরেকটি ছবি।

নির্মাণের শুরু থেকেই ‘রংবাজ’ ছবিটি ছিল তুমুল আলোচিত। এই ছবিটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে বাংলাদেশের রূপরঙ চলচ্চিত্র ও কলকাতার শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস। যদিও চাউর আছে এই ছবিটি শাকিব খানের নিজের প্রযোজিত ছবি। এর পরিচালক প্রথমে ছিলেন শামীম আহমেদ রনি। এরপর চিত্রপরিচালক সমিতি তার নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর নির্মাতা হিসেবে হাল ধরেন আবদুল মান্নান। ছবিতে শাকিবের নায়িকা শবনম বুবলী।

ছবিটি গেল রোজার ঈদে মুক্তির কথা ছিলো। কিন্তু একেবারেই শেষ মুহূর্তে এসে জানানো হয় ঈদে ‘রংবাজ’ ছবির মুক্তি দেয়া হবে না। ছবিটি ঈদুল আজাহায় মুক্তি দেয়া হবে এমনটা নিশ্চিত জানা গেছে। শুটিং, এডিটিং ও ডাবিং সবকিছুই শেষ হয়েছে রংবাজ’র। শিগগিরই শুরু হবে এর প্রচারণা।

অন্যদিকে আবদুল মাবুদ কাওসার প্রযোজিত ছবি ‘অহংকার’ ছবিটিও তালিকায় রয়েছে। যার পরিচালক শাহাদত হোসেন লিটন। শাকিব-বুবলী অভিনীত এটি তৃতীয় ছবি। এই ছবিটি গেল বৈশাখ মুক্তির কথা শোনা গেলেও মুক্তি পায়নি। এরপর চাউর উঠেছিল রোজার ঈদে মুক্তি পাবে, কিন্তু শেষে ছবির নির্মাতা লিটন জানিয়েছিলেন- ঈদে যৌথ প্রযোজনার দুই ছবি মুক্তি পাওয়ায় অহংকার মুক্তি দেয়া হবে না। শনিবার জাগো নিউজকে এই নির্মাতা চূড়ান্ত জানালেন, ‘ঈদুল আজহায় ছবিটি মুক্তি দেয়া হবে।’ আরও বলেন, ‘অহংকার ছবির সবকিছু শেষ। এমনকি সেন্সর সনদও পাওয়া গেছে। সুতরাং মুক্তি দিতে কোনো বাঁধা নেই।’

কোরবানি ঈদে মুক্তির মিছিলে থাকা দেশীয় একক প্রযোজনার শেষ ছবিটি হচ্ছে ওয়াজেদ আলী সুমন পরিচালিত ‌‘মনে রেখো’। এই ছবিটি প্রযোজনা করছে বাংলাদেশের হার্টবিট প্রোডাকশন। গেল মার্চের শেষে ছবিটির শুটিংয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করে চলচ্চিত্র ঐক্যজোট। অভিযোগ ছিল অনিয়ম করে, ওয়ার্ক পারমিট না নিয়ে অবৈধভাবে কলকাতার শিল্পী-টেকনিশিয়ানরা ছবির শুটিং করছে বাংলাদেশে। এরপর সবকিছু দফারফা হলে আবারও শুটিং শুরু হয়।

নির্মাতা জানালেন, এখন বাকি আছে চারটি গানের শুটিং। এই ছবির নির্মাতা ওয়াজেদ আলী সুমন বলেন, ‘চারটি গানের শুটিং বাকি আছে। আগামী ১০ জুলাই থেকে গানের শুটিং শুরু করবো। আমার ইচ্ছে আছে আগামী ঈদুল আজহায় ছবিটি মুক্তি দেয়ার।’ ‘মনে রেখো’ ছবিতে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের নায়িকা মাহি এবং কলকাতার নায়ক বনি সেনগুপ্ত।

সমালোচিত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার ব্যানারে আগামী ঈদে ‘নূর জাহান’ নামের একটি ছবি মুক্তি দেওয়া হতে পারে। জাজের সঙ্গে এই ছবিটি কলকাতা থেকে যৌথ প্রযোজনায় রয়েছে কলকাতার পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর প্রতিষ্ঠান রাজ চক্রবর্তী প্রোডাকশনস। সহ প্রযোজক হিসেবে রয়েছে শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মসের নাম।

এরইমধ্যে এ ছবির চিত্রনাট্য শুটিংয়ের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। এ প্রসঙ্গে সেন্সর বোর্ডের সদস্য নাসিরউদ্দিন দিলু বলেন, ‘কয়েকদিন আগে যৌথ প্রযোজনার ছবি হিসেবে ‘নূর জাহান’র চিত্রনাট্য অনুমোদন পেয়েছে। শিগগিরই বাংলাদেশে এ ছবির শুটিং শুরু হবে বলে জেনেছি। ও বাংলাদেশের আব্দুল আজিজ। এ ছবির পরিচালনায় থাকছেন রাজের সহকারী ও চিত্রনাট্যকার অভিমন্যু মুখার্জি ও আব্দুল আজিজ। গতকাল এ ছবির মূল অভিনেতা নবাগত আদৃত ও পূজা চেরির ফার্স্ট লুক পোস্টার জাজ মাল্টিমিডিয়া ও ভারতের শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে দেওয়া হয়। যদিও দুই দেশের পোস্টারে ভিন্নতা রয়েছে। কলকাতা থেকে প্রকাশ হওয়া পোস্টারে কোথাও বাংলাদেশি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও পরিচালকের নাম নেই!

বাংলাদেশের আরাধনা এন্টারপ্রাইজ ও কলকাতার শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মসের যৌথ প্রযোজনায় আগামী ঈদুল আজহায় মুক্তি পাবে নাম চূড়ান্ত না হওয়া একটি ছবি। যে ছবিতে অভিনয় করেছেন ঢাকার নায়ক শাকিব খান ও কলকাতার দুই নায়িকা সায়ন্তিকা ও নুসরাত জাহান। কলকাতার নির্মাতা রাজীব বিশ্বাস পরিচালিত এই ছবির শুটিং এখন শেষের দিকে। কিছুদিন আগে গণমাধ্যমে শাকিব খান জানান, ‘ছবির ৭০ ভাগের বেশি শুটিং শেষ হয়েছে। আগামী ঈদেই ছবিটি মুক্তি দেয়া হবে।’

এছাড়া খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘পাষাণ’ ছবিটিও মুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে চূড়ান্ত নয়। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন কলকাতার ওম ও বাংলাদেশের মিম। ছবির নির্মাতা সৈকত নাসির বলেছেন, ‘শুধুমাত্র একটি গান বাদে বাকি সবকাজ শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। এই গানের শুটিংও চলতি মাসে শেষ করা হবে।’ ছবিটি ঈদে মুক্তি পাবে কি না জানতে চাইলে সৈকত নাসির বলেন, ‘এটা ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আবদুল আজিজ ভাই বলতে পারবেন। আমার পক্ষে বলা মুশকিল।’ আবদুল আজিজ বর্তমানে আমেরিকায় থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

ঈদের ছবি হিসেবে মুক্তির সম্ভাব্য তালিকায় ছিলো যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘তুই শুধু আমার’ ছবিটির নামও। তবে এই ছবির পরিচালক অনন্য মামুন জানান, ‘ঈদে মাহি-সোহম অভিনীত ‘তুই শুধু আমার’ ছবিটি মুক্তি পাবে না।

গেল ঈদে যৌথ প্রযোজনার নামের যৌথ প্রতারণার কথা উল্লেখ করে আন্দোলনে নামে এফডিসি ১৬ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। আগামী ঈদেও বেশ কিছু ছবিতে এমনটি হবার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। যার মধ্যে ‘নূর জাহান’, আরাধনার নাম ঠিক না হওয়া ছবিটি উল্লেখযোগ্য। যৌথ প্রযোজনার ছবিতে অনিয়ম বিষয়টি দেখবেন কিনা জানতে চাইলে চলচ্চিত্র পরিবারের আহ্বায়ক ফারুক জাগো নিউজকে বলেন, ‘অনিয়ম করে ছবি মুক্তি দেয়া যাবে না। আমরা চলচ্চিত্র পরিবার এ নিয়ে তৎপর আছি। নিয়ম মেনে যৌথ প্রযোজনার ছবি হলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।’

source: rupalialo

1 2 3