Special News

গৃহকর্মী থেকে মাইক্রোসফটের অ্যাম্বাসেডর কুড়িগ্রামের ফাতেমা

নিউজ ডেস্কঃ অভাব অনটনের সংসার ছিল ফাতেমার। মাত্র ৯ বছর বয়সে তাই তাকে পাঠিয়ে দেয়া হয় মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে। সেখানে সামান্য বেতনে কাজ করতে হতো তাকে। প্রায় দু’বছর পর কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার এই কিশোরীর বয়স যখন ১১ বছর হলো তখন হঠাৎ একদিন তারা বাবা-মা তাকে বাড়িতে ডেকে পাঠাল। আর তাকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল অন্য কারণে নয়, আসলে তার বিয়ে দেয়ার জন্য। ১১ বছর বয়সী ফাতেমার বিয়ে ঠিক হয়েছিল ২৫বছর বসয়ী এক যুবকের সঙ্গে। সম্প্রতি মাইক্রোসফট তাদের ওয়েবসাইটে ফাতেমাকে নিয়ে একটি লেখা প্রকাশ করেছে। ফাতেমা মাইক্রোসফটকে বলেছে, আমার সব আনন্দ মাটি হয়ে গেল যখন আমি বুঝলাম আমাকে আসলে বিয়ের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে। বিয়ের সব আয়োজন চূড়ান্ত। তবে ঠিক আগ মুহূর্তে সেখানে গিয়ে হাজির হয় স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা। বাল্য বিয়ের ছোবল থেকে তারা ফাতেমাকে রক্ষা করে। বাল্য বিয়ের হাত থেকে যে সংস্থাটি ফাতেমাকে বাঁচিয়েছিল সেটির নাম হলো- আশার আলো পাঠশালা। বিয়ে বন্ধ হওয়ার পর ফাতেমার শিক্ষার দায়িত্বও নেয় তারা। তবে তারপরও ফাতেমার বাড়ি থেকে বিয়ের জন্য চাপ ছিল। ফাতেমাও ছিল দৃঢ় প্রতিজ্ঞ- বিয়ে সে করবে না। এরপর ফাতেমা চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হয়। পিএসসি ও জেএসসিতে জিপিএ-৫ পায় সে। এখনও সে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং দারিদ্র্য ও বাল্য বিয়ের কবল থেকে তার মতো অন্য মেয়েদের বাঁচাতে কাজ করছে সে। ফাতেমার এই পথে তার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী অস্ত্র ছিল তার কম্পিটার শিক্ষা। যার শুরুতে ছিল ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট। এখন অন্য যেসব কিশোরী বাল্যবিয়ের ঝুঁকিতে আছে ফাতেমা তাদের ডিজিটাল দক্ষতার উপর প্রশিক্ষণ দেয়। মাইক্রোসফট তাকে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরও বানিয়েছে। সুত্রঃ jagonews24

যেভাবে পাবেন ফোরজি সেবা

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্কঃ চতুর্থ প্রজন্মের (ফোরজি) টেলিযোগাযোগ সেবা চালু হচ্ছে আজ সোমবার থেকে। ফোরজি হচ্ছে ফোর্থ জেনারেশন বা চতুর্থ প্রজন্ম শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ। ফোরজির মূল সুবিধা এই নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব। বলাই হচ্ছে, এর গতি হবে সর্বনিম্ন ১০০ মেগাবাইট। কিন্তু কীভাবে জানবেন আপনার সিম ফোরজি কি না? এ সমস্যার সমাধান দিয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো। সিমটি ফোরজি কি না, সেটি বিনা মূল্যে জানা যাবে। মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো কিছু নম্বর দিয়েছে, যা ডায়াল করলে এবং খুদে বার্তা পাঠাতে হবে। ফিরতি বার্তায় সংশ্লিষ্ট অপারেটরগুলো জানিয়ে দেবে যে আপনার সিমটি চতুর্থ প্রজন্মের কি না। এরই মধ্যে আবার মোবাইল অপারেটরগুলো ফোরজি সেবা পেতে আগ্রহী ব্যক্তিদের গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে গিয়ে সিম বদলে নেওয়ার জন্য বার্তা পাঠিয়েছে। ফোরজি টেলিযোগাযোগ সেবা পেতে ফোরজি সেবা পেতে হলে সিমকার্ড ও হ্যান্ডসেটটি এ প্রযুক্তির উপযোগী হতে হবে। সিমটি ফোরজি কি না, সেটি বিনা মূল্যে জানার সুযোগ আছে। গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীরা মোবাইল ফোন থেকে *১২১*৩২৩২# ডায়াল করলেই ফিরতি বার্তায় সিমটি ফোরজি কি না, তা জানতে পারবেন। রবির গ্রাহকদের এ জন্য ডায়াল করতে হবে *১২৩*৪৪#। বাংলালিংকের গ্রাহকেরা মোবাইল ফোন থেকে 4G লিখে ৫০০০ নম্বরে খুদে বার্তা পাঠালে ফিরতি বার্তায় ফোরজি সিমের বিষয়ে তথ্য পাবেন। টেলিটক তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য এখনো এ ধরনের কোনো সেবা চালু করেনি। সিমটি যদি ফোরজি না হয়, তাহলে তা সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন অপারেটরের গ্রাহকসেবা কেন্দ্র থেকে পরিবর্তন করে নিতে হবে। এ জন্য মূল্য সংযোজন করসহ (মূসক) খরচ পড়বে ১১৫ টাকা। সিম পরিবর্তন করতে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন) দিতে হবে। ফোরজি নেটওয়ার্কে যেসব সুবিধা পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে সংশোধিত মোবাইল ওয়েব সেবা, আইপি টেলিফোনি, গেমিং সেবা, এইচডিটিভি, হাই-ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্স, ত্রিমাত্রিক টেলিভিশন এবং ক্লাউড কম্পিউটিং উল্লেখযোগ্য। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে হাই ডেফিনিশন টেলিভিশন ও ভিডিও কনফারেন্সের সুবিধা পাওয়া সম্ভব। এ ছাড়া এই প্রযুক্তিতে গ্রাহক সব সময়ই মোবাইল অনলাইন ব্রডব্যান্ডের আওতায় থাকতে পারবে। ফোরজির মাধ্যমে মোবাইলে কথোপকথন ও তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা অনেক বেশি ও শক্তিশালী। এ ছাড়া ফোরজি মোবাইল গ্রাহকদের ভয়েস মেসেজ, মাল্টিমিডিয়া মেসেজ, ফ্যাক্স, অডিও-ভিডিও রেকর্ডিংসহ নানা ধরনের সুবিধা দেয়। আপনার ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটটি ফোরজি উপযোগী কি না, সেটি আপনি নিজেই জানতে পারবেন। এ জন্য প্রথমে মোবাইল ফোনের ‘সেটিংস’ অপশনে যেতে হবে। সেখানে নেটওয়ার্ক অথবা ‘ওয়্যারলেস অ্যান্ড নেটওয়ার্কস’-এ গেলে দেখা যাবে ফোনটি ফোরজি প্রযুক্তির কি না। মোবাইল ফোন অপারেটরের সেবাকেন্দ্র ও বিভিন্ন স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের বিক্রয়কেন্দ্র থেকেও ফোরজি হ্যান্ডসেটের তথ্য জানা যাবে।

আজ ফোরজি যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্কঃ আজ সোমবার বহুল কাঙ্ক্ষিত ফোর-জি বা চতুর্থ প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ সেবা চালু হচ্ছে । সন্ধ্যায় মোবাইল অপারেটরগুলো ফোর-জির লাইসেন্স বুঝে পাবে। এরপরই অপারেটরগুলো চালু করবে ফোর-জি সেবা। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘সন্ধ্যায় ঢাকা ক্লাবে অপারেটগুলোর মধ্যে লাইসেন্স হস্তান্তর করা হবে। এরপর তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ফোর-জি চালু করবে।’ এক প্রশ্নের জবাবে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে আজ চালু হলেও মোবাইল অপারেটরগুলো কয়েক দিন আগে থেকেই পরীক্ষামূলক ফোর-জি সেবা দিচ্ছে। শুরুতে প্রযুক্তিগত সমস্যা কিছুটা থাকবে। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে তা ঠিক হয়ে যাবে।’ এরআগে গত মঙ্গলবার ঢাকা ক্লাবে ফোর-জির তরঙ্গ নিলাম হয়। নিলাম থেকে ১৫.৬ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কিনেছে গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক। এর মধ্যে বাংলালিংক ১০.৬ এবং গ্রামীণফোন ৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কিনেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওপেন সিগন্যালের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে থ্রি-জি ইন্টারনেটের গড় গতি ৩ দশমিক ৭৫ এমবিপিএস (মেগাবিটস প্রতি সেকেন্ড)। আর বিশ্বে ফোর-জি প্রযুক্তির গড় গতি ১৬ দশমিক ৬ এমবিপিএস। ভারতে ফোর-জির গড় গতি বর্তমানে ৬ দশমিক ১৩ এমবিপিএস। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডের মতো দেশে ফোর-জির গতি ৯ থেকে ১৪ এমবিপিএসের মধ্যে। ফোর-জি গতিতে বিশ্বে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দুই দেশ হলো সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়া। বিশ্বজুড়ে ৩৮ লাখ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর ৫ হাজার কোটি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে একেকটি দেশের ফোর-জি ইন্টারনেটের গতি নির্ধারণ করে ওপেনসিগন্যাল। অপরিদিকে গ্রাহক, নেটওয়ার্ক, সেবার ক্ষেত্রে দেশের একেক অঞ্চলে একেক মোবাইল ফোন অপারেটরের আধিপত্য। যার বিচারে অপারেটরগুলো অঞ্চলভিত্তিক গুরুত্বে অনেক সেবা পরিকল্পনা করে থাকে।অপারেটরগুলো মধ্যে ঢাকাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয় গ্রামীণফোন। রাজধানী তাদের প্রধান শক্তি হলেও গ্রাহক সংখ্যায় সেরা অপারেটরটি দেশের সব জায়গায় সুষম উন্নয়নে যে চেষ্টা করছে তা দৃশ্যমান। গ্রামীণফোন ঢাকার পর সিলেট এবং উত্তরবঙ্গেও শক্ত অবস্থান নিয়ে আছে।ঢাকা এবং উত্তরাঞ্চলে সুবিধা করতে না পেরে চট্টগ্রামেই খুঁটি শক্ত রাখতে চেষ্টা করে আসছে রবি। ফোরজি চালুর ক্ষেত্রেও এই চেষ্টার ব্যতিক্রম করেনি তারা। তবে গোটা চট্টগ্রাম অঞ্চল, নোয়াখালি, কুমিল্লা এবং ঢাকাকেও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে থাকে অপারেটরটি। খুলনাও একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাংলালিংকের কাছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম তো থাকছেই, খুলনা তৃতীয় গ্রাহক সেরা অপারেটরটির কাছে রয়েছে বাড়তি গুরুত্বের জায়গায়। নেটওয়ার্ক তৈরির ক্ষেত্রেও বাংলালিংক অন্য সব এলাকার চেয়ে খুলনাকে বাড়তি গুরুত্ব দেয়। রবি যেমন গুরুত্ব দেয় চট্টগ্রাম বিভাগকে। ঢাকায় সবার উপস্থিতি ভাল হলেও গ্রামীণফোনের জন্য সবচেয়ে শক্তির জায়গা। আর এভাবেই গ্রাহক গুরুত্বের বিচারেই ফোরজি সেবার জন্যে অপারেটরগুলো তাদের নেটওয়ার্ক তৈরি করছে।এ নিয়ম মেনেই যেন বাংলালিংক ফোরজি নেটওয়ার্ক তৈরি করার ক্ষেত্রে খুলনাকে সবার আগে গুরুত্ব দিয়েছে। সোমবার সেবা চালু করার পর মঙ্গলবার খুলনায় তারা একটি সংবাদ সম্মেলনও করবে। একইভাবে চট্টগ্রামেও রবির রয়েছে নানা পরিকল্পনা। খুলনা-চট্টগ্রামের গ্রাহকদেরকে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা থেকেই বাংলালিংক-রবি এমনটা করছে বলে জানা গেছে। আঞ্চলিকতার এই বিষয়টি নিয়ে রোববার গ্রামীণফোনের এক কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তারা অবশ্য বলেন, সকল গ্রাহক তাদের কাছে সমান। কোনো অঞ্চলের গ্রাহককে তারা বেশী গুরুত্ব দিতে গিয়ে কোনো অঞ্চলকে তারা অবজ্ঞা করতে চান না। অপারেটগুলোর অনেক কর্মকর্তা বলছেন, স্বাভাবিকভাবেই যেখানে গ্রাহক বেশী সেখানে সেবাও আগে আগে যাবে। সুত্রঃ bhorerkagoj

স্কুলে ছাগল !

নিউজ ডেস্কঃ ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলের মণিপুর রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী টি রাধেশ্যাম স্কুলের হালহকিকত জানতে কোনও আগাম বার্তা না দিয়েই পরিদর্শনে বেরিয়েছিলেন। সফরটা তিনি শুরু করেছিলেন মায়াং ইমফাল এবং ওয়াবাগাই বিধানসভা ক্ষেত্রের কয়েকটি স্কুলে অভিযানের মাধ্যমে। এই হঠাৎ অভিযানে যে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে, তাতে বেজায় চটেছেন মন্ত্রী। মন্ত্রীর অভিজ্ঞতাটা ঠিক কেমন? কোথাও স্কুল খোলা কিন্তু শিক্ষক নেই। কোথাও আবার শিক্ষক রয়েছেন তো ছাত্র নেই! তবে মন্ত্রীর জন্য আরও চমক অপেক্ষা করছিল পশ্চিম ইমফালের একটি স্কুলে। সেখানকার খেলাকং এলাকার একটি স্কুলে ঢুকে পড়েছিলেন কেমন পরিস্থিতি তা খতিয়ে দেখতে। কিন্তু এ কী! মন্ত্রী কিছুটা ধন্দে পড়েছিলেন, এটা আদৌ স্কুল তো! নথি অনুযায়ী স্কুলই বটে। তবে স্কুলে কোনও ছাত্র ছিল না, শিক্ষকদের উপস্থিতি তো টেরই পাওয়া যায়নি। স্কুলের ক্লাসরুমগুলো ফাঁকা, আর সেখানে চরে বেড়াচ্ছে ছাগলের দল। একের পর এক স্কুলে ঘুরেছেন রাধেশ্যাম। কিন্তু কোনও স্কুল থেকেই তার অভিজ্ঞতাটা খুব একটা সুখকর হয়নি। ওই এলাকারই আরও একটি স্কুলে ঢুকে অবশ্য প্রধান শিক্ষককে দেখতে পান। কিন্তু বাকি শিক্ষকদের টিকি খুঁজে পাওয়া যায়নি। কোথায় গেলেন অন্য শিক্ষকরা? এই প্রশ্নের জবাবে প্রধান শিক্ষক জানান, তারা কাজের জন্য বাইরে গিয়েছেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের জবাব সন্তুষ্ট করতে পারেনি মন্ত্রীকে। হুঁশিয়ারির সুরেই তিনি বলেন, যে সব শিক্ষকেরা স্কুলে আসছেন না, তাদের বিরুদ্ধে এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। খেলাকংয়ের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পাঁচ বছর আগে ওই স্কুলে ২০০ ছাত্রছাত্রী ছিল। কিন্তু কোথায় গেল তারা? এ প্রশ্নের জবাব অবশ্য পাওয়া যায়নি। যেমন একটা স্কুল সরকারকে হিসেব দিয়েছিল ৩২ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। কিন্তু মন্ত্রী সেই স্কুলে গিয়ে দেখেন, স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি পুরোটাই মিথ্যা। ছিল মাত্র ২ জন শিক্ষার্থী। স্কুলগুলির এই ছবি দেখার পর মন্ত্রীর মুখে শোনা যায়, ‘এটা সত্যিই বিরক্তিকর এবং দুঃখের বিষয় যে শিক্ষার্থীরা স্কুলে নেই। স্কুল ভবনগুলোর অবস্থা তথৈবচ। সরকার শিগগির ব্যবস্থা নেবে।’ প্রশাসনের একটা সূত্র বলছে, সমস্ত সরকারি অনুদান, দুপুরের খাবার, বই, স্কুলের পোশাক যাতে নিয়মিতভাবে পাওয়া যায় সে কারণেই স্কুলগুলো সরকারের কাছে ভুয়া খতিয়ান দিচ্ছে। সুত্রঃ dhakatimes24

রোগীদের কখনো ভুলে যান না এই চিকিৎসক

নিউজ ডেস্কঃ রোগীকে চিকিৎসা দিয়ে বিদায় করলেই দায়িত্ব শেষ চিকিৎসকের। এরপর নতুন রোগী আসবে, তারপর ব্যবস্থাপত্র দিয়ে বিদায় দেয়া হবে এটাই বাংলাদেশের বাস্তবতা। কিন্তু আপনি কয়েকবছর আগে চিকিৎসা নিয়ে গেছেন একজন চিকিৎসকের কাছ থেকে, সুস্থও আছেন। তারপরও সেই চিকিৎসকের দপ্তর থেকে আপনাকে কোনো আয়োজনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হলো, তখন নিশ্চয়ই চমকে উঠবেন। দিনভর রোগিদের সঙ্গে সময় কাটাবেন সেই চিকিৎসক। আপনার রোগের সম্পর্কে খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে হাতে ধরে চিকিৎসক দেখাবেন শারীরিক কসরতের মাধ্যমে কিভাবে সুস্থ থাকতে পারবেন। চিকিৎসক আর রোগীর মধ্যে সম্পর্ক বাড়াতে তিন বছর ধরে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন করে আসছেন ডা. মো. নজরুল ইসলাম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিউমেটোলজি বিভাগের এই অধ্যাপক সহসাই বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। তিন বছর ধরে ‘রোগী শিক্ষা অধিবেশন’ শিরোনামে বছরের একটি দিন আনন্দঘন পরিবেশে রোগীদের সঙ্গে কাটান নজরুল ইসলাম। এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার দিনব্যাপী এই আয়োজন করা হয় রাজধানীর অদুরে সোনাগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টে। যেখানে বিভিন্ন ধরণের বাত রোগে আক্রান্ত বর্তমান ও সাবেক রোগীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। শুধু তাই নয়, ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে এই চিকিৎসকের চেম্বারে প্রতিনিয়িত চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের যাবতীয় ডাটাবেজ সংরক্ষণ করে রাখা হয়। বাত রোগে আক্রান্তদের সার্বিক সহযোগিতা দেয়ার জন্য গঠন করা হয়েছে একটি ফাউন্ডেশন। গরিব ও অসহায় রোগীদের এই চিকিৎসা চালাতে সহযোগিতা করার লক্ষে এই ফাউন্ডেশন করা হয়। শুক্রবারের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসা নেয়া রোগীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। সবাই ব্যতিক্রমী এই আয়োজনের প্রশংসা করেন। সাধারণত বাত ব্যথায় আক্রান্ত মানুষকে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিতে হয়। তাই সচেতনতার পাশাপাশি সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিলে সুস্থ থাকা যায় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। অন্যদিকে চিকিৎসক তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগঝড়া কণ্ঠে বলেছেন, এমন আয়োজন করতে পেরে তিনি গর্ববোধ করছেন। চিকিৎসক আর রোগীর মধ্যে সম্পর্ক বাড়াতে এমন আয়োজন বেশি বেশি প্রয়োজন। এতে করে রোগীদের উপকৃত হওয়ার সুযোগ বাড়ে। অন্যদিকে চিকিৎসকদের সম্পর্কে রোগীদের ভুল ধারণার অবসান ঘটবে। নির্ধারিত সময়ে ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের সামনে থেকে রোগী ও তাদের স্বজনদের নিয়ে সোনারগাঁওয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু হয়। বেলা ১১টার দিকে রিসোর্টে গিয়ে পৌঁছার পর ফ্রেশ হয়ে সবাইকে বাত রোগ সম্পর্কে সম্যক ধারণা দিতে ছিল প্রেজেনটশনের ব্যবস্থা। বাত ব্যথা ও এ রোগের প্রতিকার নিয়ে কথা বলেন ডা. ফাহিদ বিন নজরুল, ডা. আশিকুজ্জামান ও ডা. মাহফিল তানি। রোগীদের একজন সাবেক যুগ্ম সচিব আনোয়ারা বেগম। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন আমি এর আগে দেখিনি। আমি ২০ বছর আগে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হই। অনেক চিকিৎসা নিয়েছি। কিছুদিন ধরে এই চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসায় আমি বেশ ভালো আছি।’ সাবেক জেলা জজ শামসুল ইসলাম। তিনিও একজন রোগী। অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে শাসছুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ঘুমালে অনেক স্বপ্ন দেখি। কিন্তু আমার চিকিৎসক যিনি আমার কাছ থেকে ফিস নেন, টেস্ট দিয়ে পকেট খালি করেন সেই চিকিৎসক আমাকে নিয়ে সারাদিন কাটাবেন। রোগ সম্পর্কে সচেতন করবেন। পরামর্শ দিবেন। এমন আয়োজন তো কল্পনা করার কথাও না করি না।’ দুপুরের খাবার আগেই শুরু হয় ব্যায়াম সেশন। অধীনস্তদের সঙ্গে নিয়ে নিজ হাতে রোগীদের ব্যায়াম শেখান ডা. নজরুল। পরের পর্বে ছিল বাতের রোগীদের সহযোগিতার লক্ষ্যে গড়া ফাউন্ডেশনের ঘোষণা। উপস্থিত রোগীদের কণ্ঠভোটে নাম দেয়া হয় ‘ডা. নজরুল ইসলাম ফাউন্ডেশন’। দীর্ঘ চিকিৎসা নিতে অক্ষম রোগীদের চিকিৎসায় সহযোগিতা করবে এই ফাউন্ডেশন। পরে এমন আয়োজনের কথা তুলে ধরে ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিনিয়ত অসংখ্য মানুষকে চিকিৎসা দিয়ে থাকি। কিন্তু এই রোগে আক্রান্ত মানুষের কথা বলে বোঝানো যাবে না। দীর্ঘদিন ধরে এই চিকিৎসা চালাতে হয়। অনেকের সামর্থও থাকে না। যে কারণে রোগীদের চিকিৎসা সহযোগিতা করার লক্ষ্যে আমরা ফাউন্ডেশন গঠন করেছি। ব্যক্তিগতভাবে আমার ইচ্ছা দুনিয়া থেকে চলে গেলেও এমন কিছু করে যেতে পারি যাতে অসহায় মানুষগুলো সহযোগিতা পায়। আশা করি সবাই এগিয়ে আসবেন। ফাউন্ডেশনে যে আমানত রাখা হবে তার যেন সুষ্ঠু ব্যবহার করতে পারি সেই দোয়া করবেন।’ পরের পর্বে কণ্ঠশিল্পী জানে আলম বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গান পরিবেশন করেন। সবশেষ র‌্যাফেল ড্রয়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। সুত্রঃ dhakatimes24

পুরুষ সেজে দুই বিয়ে, অবশেষে গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্কঃ যৌতুকের দাবিতে অত্যাচারের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছিলেন স্ত্রী। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সেই স্বামীকে গ্রেপ্তারও করে। আর গ্রেপ্তারের পর থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সময়ই থলে থেকে বেরিয়ে আসে বেড়াল। অভিযোগকারী নারীর স্বামী হিসেবে যাকে আটক করা হয়েছে সে যে কোনো পুরুষ নয়, একজন নারী।! চমকপ্রদ এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরখন্ড রাজ্যের নৈনিতালের শৈলশহরে। এ বিষয়ে নৈনিতালের সিনিয়র পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্ট জন্মেজয় খান্ডুরি বলেন, 'যৌতুকের জন্য স্ত্রীর ওপরে অত্যাচার চালানোর অভিযোগে আমরা তো গ্রেপ্তার করেছিলাম কৃষ্ণ সেন নামের এক পুরুষকে। জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়ে সন্দেহ হয় যে গ্রেপ্তার হওয়া কৃষ্ণ সেন আদৌ পুরুষ তো? পরে জেরার মুখে সে স্বীকার করে যে সে আসলে নারী।' তিনি জানান, স্বীকারোক্তির পরেও অবশ্য বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত হতে ডাক্তারি পরীক্ষা হয়েছে। সেখানেও প্রমাণিত হয়েছে যে সেই অত্যাচারী স্বামী কৃষ্ণ সেন আসলে একজন নারী। আর তার আসল নাম সুইটি সেন, বাড়ি পার্শ্ববর্তী উত্তরপ্রদেশের বিজনৌরে। তার চুল আর পোশাক-আশাক দেখে যে কেউই মনে করবেন যে তিনি একজন পুরুষ। এতটা জানার পর পুলিশ যখন আরও তদন্ত শুরু করে, তখন জানা যায় সুইটি সেন নামে ওই নারী একজনকেই বিয়ে করে যৌতুকের জন্য অত্যাচার করেছেন তা নয়, আগেও একটা বিয়ে করেছেন তিনি। খান্ডরী বলেন, 'ফেসবুকে পুরুষের পোশাক পরে একটি প্রোফাইল তৈরি করেছিলেন সুইটি। তা দিয়েই ২০১৩ সাল থেকে কয়েকজন নারীর সঙ্গে আলাপ জমান। পরের বছরই নৈনিতালের একটি মেয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং শেষে তাকে বিয়ে করেন সুইটি। পরে সেই বিয়ের কথা লুকিয়ে ২০১৬ সালে আবারও সে হলদওয়ানির বাসিন্দা আরেক নারীকে নিজের জালে ফাঁসায়।' এদিকে পুরুষ সেজে দুটি বিয়ে করলেও দুই স্ত্রীর কাউকেই নাকি নিজের শরীর নাকি দেখাতেন না পুরুষরূপী সুইটি সেন। তবে এক স্ত্রী ধরে ফেলেছিলেন কৃষ্ণ সেন যে আসলে একজন নারী। আর টাকার লোভ দেখিয়ে সুইটি সেই স্ত্রীর মুখ বন্ধ রেখেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গতবছর প্রথম স্ত্রী অভিযোগ করেন, তার স্বামী যৌতুকের জন্য অত্যাচার করছেন। সেই অভিযোগের তদন্তে নেমেই পুলিশ গ্রেপ্তার করে 'কৃষ্ণ সেন'কে। পুলিশ বলছে, প্রথমে তো স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য অত্যাচারেরই মামলা দায়ের হয়েছিল। কিন্তু এখানে তো স্বামী-ই নেই। তাই নতুন করে জালিয়াতির মামলা দায়ের হয়েছে পুরুষরূপী নারী সুইটি, ওরফে কৃষ্ণ সেনের বিরুদ্ধে। আদালত ওই নারীকে জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে। সুত্রঃ samakal

বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ চান জাতিসংঘ

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ চান জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তার মুখপাত্র স্টিফান দুজারিক তার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এই প্রত্যাশার কথা জানান। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারামুক্তি বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের কার্যালয় কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে কি না- এমন এক প্রশ্নের জবাবে দুজারিক বলেন, ‘আমরা আমাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছি এবং প্রত্যাশা ব্যক্ত করি। যেকোনো দেশের ক্ষেত্রেই এটা আমাদের মৌলিক অবস্থান।’ জিয়া অরফারেনজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। তারপর থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবের এই মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা আশা করছি, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন যেন হতে পারে, সেরকম একটি পরিবেশ গড়ে তোলা হবে।’ এ বিষয়ে বিদেশি গণমাধ্যম ও কূটনীতিকদের আলাদাভাবে ডেকে ব্রিফ দিয়েছে বিএনপি। পাশাপাশি খালেদার মুক্তি দাবিতে মানববন্ধন, অবস্থান, অনশন, গণস্বাক্ষরের মতো কর্মসূচির মতো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে দলটি। বিএনপির অভিযোগ, খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে এই সাজা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওই ব্রিফিংয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও কথা বলেন দুজারিক। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র বলেন, যেকোনো প্রত্যাবাসনই হতে হবে স্বেচ্ছায় এবং জোরজবরদস্তি ছাড়া। দুজারিক আরো বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের যেন কোনো তাঁবুতে ফিরতে না হয়। তাদের আপন ঘরে ফেরার ব্যবস্থা করতে হবে, যেখান থেকে তাদের জোরপূর্বক বিতাড়িত করা হয়েছিল।’ সুত্রঃ breakingnews.com.bd

বিএনপির ৩ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

নিউজ ডেস্কঃ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নতুন করে তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। এই দফায় আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান চলবে। এরপর ১৮ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে এবং ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ছাড়া দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করেন বিশেষ আদালতের বিচারক ডা. মো. আখতারুজ্জামান। রায়ে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। এই সাজার প্রতিবাদে ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে বিক্ষোভ করে বিএনপি। এ ছাড়া প্রতীকী অনশন ধর্মঘটও করে দলটি। এতে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় ২০ দলীয় জোট।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যু হলে নেতৃত্ব দেবেন কে?

নিউজ ডেস্কঃ যুক্তরাজ্যের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর পর কমনওয়েলথ জোটের নেতৃত্ব কে দেবেন—তা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এ নিয়ে জোটের সাত সদস্যবিশিষ্ট উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী কমিটি আজ মঙ্গলবার লন্ডনে গোপন বৈঠকে বসেছে বলে খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি। গোপন ওই বৈঠকের আলোচ্যসূচি তাদের হাতে এসেছে দাবি করে বিবিসির খবরে বলা হয়, সূচিতে ‘বৃহত্তর পরিচালনাগত বিবেচনা’ (ওয়াইডার গভারনেন্স কনসিডারেশন) শীর্ষক একটি এজেন্ডা রাখা হয়েছে। ভেতরের লোকজন বলছেন, এটি রানির উত্তরাধিকার নির্ধারণ বিষয়ে আলোচনার সাংকেতিক রূপ (কোড)। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ১৯৫৩ সাল থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে কমনওয়েলথ জোটের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আসন্ন এপ্রিলে ৯২ ছুঁতে যাওয়া রানির মৃত্যুর পর ছেলে প্রিন্স চার্লস (প্রিন্স অব ওয়েলস) সিংহাসনে আসীন হবেন। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রিন্স চার্লস কমনওয়েলথ জোটের প্রধান হবেন; নাকি গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচনের মাধ্যমে কাউকে প্রধান নির্বাচিত করা হবে—সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। কমনওয়েলথ জোটের প্রধান নির্বাচনে কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই। ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রধানই এর নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। কিন্তু এ জোটের গণতান্ত্রিক অবয়ব মজবুত করার আলোচনা আছে বিভিন্ন তরফে। যে কারণে রানিকে নেতৃত্বে রেখে ভোটের মাধ্যমে একজনকে আনুষ্ঠানিক প্রধান (সিরিমোনিয়াল লিডার) হিসেবে নির্বাচিত করার প্রস্তাবও আসে। যুক্তরাজ্যের উপনিবেশ ছিল এমন দেশগুলোকে নিয়ে ১৯৩১ সঙ্গে গঠিত হয় কমনওয়েলথ জোট। বর্তমান রানির বাবা ষষ্ঠ জর্জ এর নেতা ছিলেন। ১৯৫৩ সালে বাবার মৃত্যুর পর রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ সিংহাসনে আরোহণ করার সূত্রে কমনওয়েলথ জোটেরও প্রধান হন। সে সময় জোটের সদস্যরাষ্ট্র ছিল মাত্র আটটি। এর মধ্যে সাতটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ছিল ব্রিটিশ রাজ। বর্তমানে কমনওয়েলথ জোটের সদস্যসংখ্যা ৫৩টি। এর মধ্যে ১৫টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এখনো ব্রিটিশ রাজ। বাংলাদেশও এই জোটের সদস্য। লন্ডনে অবস্থিত সদর দপ্তর থেকেই পরিচালিত হয় এর কার্যক্রম। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্য ও রাজনৈতিক সম্পর্ক নিবিড় করার কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, এপ্রিলে লন্ডনে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রনেতাদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ শেষবারের মতো যোগ দেবেন। এই সম্মেলনেই রাষ্ট্রপ্রধানদের একান্ত বৈঠকে রানির উত্তরাধিকার বিষয়ে নিজেদের আলোচনার কথা তুলে ধরবে উচ্চপর্যায়ের কমিটি। বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রানির মৃত্যুর পর প্রিন্স চার্লসকে প্রধান করার জন্য জোটে শক্ত অবস্থান রয়েছে। রানি নিজেও প্রিন্স চার্লসকে কমনওয়েলথের প্রধান করার পক্ষে এবং বিভিন্ন দেশে এ বিষয়ে লবি করেছেন। প্রিন্স চার্লস নিজের ওয়েবসাইটের বড় একটি অংশজুড়ে কমনওয়েলথ নিয়ে নিজের নানা কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেছেন। বলেছেন, ৫৩টি সদস্য দেশের মধ্যে তিনি ইতিমধ্যে ৪১টি দেশ সফর করেছেন।

গরিব মমতা!

নিউজ ডেস্কঃ সাদামাটা জীবনযাপনের জন্যই তিনি পরিচিত। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সম্পর্কে সেই একই তথ্য ফের উঠে এলো ‘‌অ্যাসোসিয়েশন অফ ডেমোক্রেটিক রিফর্ম’‌–এ। ভারতের ২৯ রাজ্য ও দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রীদের সম্পদের তালিকা প্রকাশ করেছে এই সংস্থা। সেই তালিকা অনুযায়ী ভারতের ধনীতম মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। দরিদ্রতম ত্রিপুরার মানিক সরকার। তার সম্পত্তির পরিমাণ ২৬ লাখ রুপি। দরিদ্র মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মানিকের পরেই রয়েছে মমতা ব্যানার্জির নাম। মমতার সম্পত্তির পরিমাণ ভারতীয় টাকায় ৩০ লাখ রুপি। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহেবুবা মুফতি। তার সম্পদ ৫৫ লক্ষ রুপির। ভোটে লড়ার আগে নিজেদের সম্পত্তির পরিমাণ জানিয়ে হলফনামা পেশ করতে হয়। সেই পরিমাণের বিচারেই বানানো হয়েছে এই তালিকা। ধনীতম চন্দ্রবাবু নাইডুর সম্পত্তির পরিমাণ ১৭৭ কোটি টাকা। এর পরে ধনী অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী প্রেমা খান্ডু। তার সম্পদের পরিমাণ ১২৯ কোটি টাকা। ৪৮ কোটি টাকার সম্পত্তি নিয়ে তৃতীয় স্থানে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরেন্দ্র সিং। সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, দেশের ৩১ জন মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে ২৫ জন কোটিপতি। মুখ্যমন্ত্রীদের গড় সম্পদের পরিমাণ ১৬ কোটি টাকা। দেশের ৫৫ শতাংশ মুখ্যমন্ত্রীদের সম্পদ ১ থেকে ১০ কোটির মধ্যে। ১৯ শতাংশ মুখ্যমন্ত্রীদের সম্পদের পরিমান ১ কোটির কম। সম্পত্তির পাশাপাশি চোখ রাখা হয়েছে ফৌজদারি মামলা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার দিকেও। ফৌজদারি মামলায় শীর্ষে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। তার বিরুদ্ধে ২২টি মামলা রয়েছে। দু’‌নম্বরে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তার বিরুদ্ধে ১১টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তিন নম্বরে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তার বিরুদ্ধে রয়েছে ১০টি মামলা। ২০ জন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। শিক্ষাগত ‌যোগ্যতায় সবচেয়ে এগিয়ে সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী পবন চামলিং। ডক্টরেট রয়েছে তার। এছাড়া ৩৯ শতাংশ মুখ্যমন্ত্রী স্নাতক। সুত্রঃ dailynayadiganta
1 2 3 54